Breaking News

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ-ত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)!!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সাধারণত একটি ভ্রূ-ণ ধীরে ধীরে মাতৃগর্ভে বড় হয়ে উঠতে সময় লাগে দশ মাস দশ দিন। তারপরে সেই ভূমিষ্ঠ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হতে লেগে যায় দুই থেকে তিন বছর । অর্থাৎ হাঁটাচলা থেকে শুরু করে কথা বলা বা অন্যান্য যাবতীয় ভঙ্গিমা সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ পেতে সময় লেগে যায় দুই থেকে তিন বছর ।

এখনকার যুগে অনেকেই প্রিম্যাচিউর বাচ্চার জন্ম দেয় । অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে বাচ্চা হওয়ার আগে সিজার এর মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দিয়ে থাকেন অনেক মা । তাদেরকে প্রিম্যাচিওর বাচ্চা বলে। সাধারণত সেসব বাচ্চারা অন্যান্য বাচ্চাদের তুলনায় একটু এডভান্স হয়।

কিন্তু সিজারের বাচ্চা ক্ষেত্রে বেশ কিছু ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে । যেগুলি কখনো চিকিৎসকরা টাকা পয়সার লোভে আপনাদেরকে জানাই না । বাচ্চা হওয়ার সময় যখন মেডিকেল চেকআপ করাতে যায় তখন অনেক চিকিৎসক বাড়ির মেয়েদেরকে ভ-য় দেখিয়ে দেয় এবং বলেন যে যেন সিজার করে বাচ্চা জন্ম নেয়া হয় ।

নইলে মৃ-ত্যু ভয় থাকতে পারে । কিন্তু ঘটনাটি সম্পূর্ণ আলাদা । সিজার করে বাচ্চা জন্মগ্রহণ করলে পরবর্তী ক্ষেত্রে যদি সেই মেয়ে কোন কারনে দুই বা তার বেশি বাচ্চা জন্ম দিয়ে থাকে তাহলে কিন্তু মৃ-ত্যু-র ঝুঁ-কি বেড়ে যায় অনেকখানি । এবং এই ঝুঁকির পরিমাণ পূর্বের তুলনায় ৯০% শতাংশ বৃদ্ধি পায় অধিকাংশ ডাক্তারবাবুরা বলে না ।

এর পাশাপাশি যেহেতু এগুলো প্রিম্যাচিওর বাচ্চা হয়ে থাকে তাই কখনো কখনো ম-স্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে । তার পাশাপাশি ছুরি-কাঁচি বাচ্চার গায়ে আ-ঘা-ত সৃষ্টি করে অনেক সময় যা অনেক চিকিৎসকরা লুকিয়ে যায় তাদের পরিবারের থেকে । ঠিক এই সমস্ত ঘটনাগুলো ঘটে যায় অপারেশন থিয়েটার ভেতরে যা আপনাকে কখনোই জানানো হয় না ।এবং এই সমস্ত ঘটনা তুলে ধরেছেন একজন সেবিকা ।অর্থাৎ যখন তিনি নিজে অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং ডাক্তার তাকে যখন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে কিভাবে তার বাচ্চা জন্ম দেওয়া হবে তখন তিনি বলেছিলেন যে সাধারণভাবেই । কারণ সিজারের বাচ্চার ক্ষেত্রে কি কি ঘটনা ঘটে সেগুলো তো নিজের চোখে দেখা ।

About 24Ghanta News

Check Also

এই 3 টি ব্যবসায় নেই কোনো আর্থিক ঝুঁকি! জেনে নিন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:- এমনটা অস্বীকার করার কোন জায়গা নেই যে বর্তমানের এই বেকার যুবক সমাজ ব্যবসার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *