Breaking News

বাজার থেকে বাড়িতে আঙ্গুর ফল কিনে এনে তা থেকে একদম মচমচে দারুন কিচমিচ যেভাবে বাড়িতেই তৈরি করবেন, রইলো পদ্ধতি!

নিজস্ব প্রতিবেদন:আঙ্গুর ফল নিয়ে নানান ধরনের গল্প প্রচলিত রয়েছে। এই অসাধারণ স্বাদের ফলটি খেতে আমরা অনেকেই কমবেশি ভালোবাসি।শুধুমাত্র আঙ্গুর নয় এর থেকে তৈরি কিসমিসও আমাদের স্বাদে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।তাই আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন এর মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে আঙ্গুর ফল থেকে কিসমিস তৈরির পদ্ধতি আলোচনা করো।

এই পদ্ধতিতে কিসমিস তৈরি করার জন্য প্রথমেই কিশমিসের উপর থেকে বোটাগুলি কে ছাড়িয়ে নিন। এরপর ভালো করে ফলগুলিকে ধুয়ে নিতে হবে। ধুয়ে নেওয়ার পর আঙ্গুরগুলিকে মৃদু আঁচে সেদ্ধ করে নিতে হবে।

তবে একটি কথা মাথায় রাখবেন আঙ্গুর গুলিকে সেদ্ধ করার সময় কোন রকমের ঢাকনা দেবেন না। ভাল করে অনেকক্ষণ সময় ধরে সেদ্ধ করে নেওয়ার পর দেখবেন আঙ্গুর গুলি আকারে অনেকটাই বড় এবং হালকা হলুদ রঙের হয়ে গিয়েছে। এরপর একটি ট্রের মধ্যে সুতির কাপড় নিয়ে নিতে হবে। ওই সুতির কাপড়ের মধ্যে আঙ্গুর গুলি কে ভালো করে দূরত্ব বজায় রেখে বসিয়ে দিতে হবে।

এরপর প্রায় 48 ঘণ্টা অর্থাৎ দিনদুয়েক সময় ধরে কড়া রোদের মধ্যে এগুলিকে শুকোতে দিন। খেয়াল রাখবেন আঙ্গুর গুলি যেন এমন অবস্থানে থাকে যাতে তাদের মধ্যে হাওয়া এবং রোদ দুটোই প্রবেশ করতে পারে।ঠিক দু-তিন দিনের মধ্যেই অত্যন্ত সুন্দর ভাবে দেখা যাবে এই আঙ্গুর গুলি কিশমিশে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এটি একেবারেই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কিসমিস তৈরির উপায়।

এই পদ্ধতিতে কিসমিস বানানোর জন্য কোন রকম রাসায়নিক দ্রব্য বা যন্ত্রাদি ব্যবহার করা হয়নি। যার ফলস্বরুপ এটি শরীরের পক্ষে একেবারেই ক্ষতিকারক নয়।চাইলে আপনারাও নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী একেবারেই অল্প খরচে খুব সহজে বাড়িতে এভাবে কিসমিস তৈরি করতে পারেন। প্রয়োজনে আমাদের প্রতিবেদনের সাথে থাকা ভিডিওটি দেখে নিন।তবে আমাদের এই প্রতিবেদনটি আপনার কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। রইল ভিডিও।

About 24Ghanta News

Check Also

মাঠের মধ্যে বড় গাছের উপরে দুই বড় কো-বরা সাপের মধ্যে উ-দ্দাম ল-ড়া’ই, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন ভাইরাল ভিডিও দেখতে পাই। এই ভিডিওগুলি আমাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *