Breaking News

বর্তমান সমাজের সকলের পড়া উচিত এই শিক্ষামূলক গল্প টি।

নিজস্ব সংবাদদাতা : বর্তমানে মানুষ নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। এই ব্যস্ততার আড়ালে হারিয়ে গেছে মানুষের মনুষ্যত্ব,বিবেক, বিবেচনা। নিজের স্বার্থ নিজের ভালো থাকাটাকে দেখতে গিয়ে মানুষ যেন অন্যের কথা ভাবতে ভুলেই গেছে। কিভাবে একজন অপরজনকে ঠকিয়ে অপরজনের থেকে বড় হবে সেটাই এখন মানুষের একমাত্র উদ্দেশ্য। প্রাচীনকালে নানারকম গল্পের মাধ্যমে বাড়ির বড়রা অর্থাৎ ঠাকুরমা দিদিমারা ছোটদের জীবন সম্পর্কে সচেতন করতেন ,কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যাবে সেই জ্ঞান দিতেন। চলুন আজ এরকমই একটি গল্প শুনে নেওয়া যাক ।

একবার এক গ্রামে এক গরীব মানুষ বাস করতেন। তার একটি গরু ছিল সেই গরুর দুধ দিয়ে তিনি ও তার স্ত্রী মাখন তৈরি করে তা শহরের বাজারে বিক্রি করতেন। বাড়ি থেকে মাখন প্রতিটি 1 কেজি হিসেবে ওজন করে তিনি শহরে নিয়ে যেতেন। তারপর শহরের একটি দোকানে তা বিক্রি করে দিতেন এবং সেখান থেকে যা টাকা আসত তা দিয়েই মাসিক চাল ডাল চিনি সব কিনে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরে আসতেন। এই ভাবেই তিনি তার জীবন অতিবাহিত করছিলেন।

তার বিক্রি করা মাখন গুলি শহরের দোকানদার কোনদিনই মেপে নিত না, একদিন সেই গ্রামের গরিব মানুষ টি মাখন গুলি দিয়ে আসার পর দোকানদার কিছু একটা ভেবে মাখন গুলি ওজন করতে শুরু করেন। এবং ওজন করতে গিয়ে তিনি দেখেন প্রতিটি মাখনের ওজন 900 গ্রাম কোনটি এক কেজি নয়। এটি দেখে দোকানদার ভীষণ রেগে যান এবং পরের দিন যখন সেই গরীব মানুষটি আবার মাখন বিক্রি করতে আসে তখন তাকে অনেক অপমান করে এবং জানায় একজন বেইমান এর কাছ থেকে সে কোন জিনিস কিনবে না।

তখন সেই ব্যক্তি দোকানদারকে জানায় দয়া করে রাগ করবেন না, আসলে একটা বাটখারা কেনার মত সামর্থ্য আমার নেই ।তাই আপনার দোকান থেকে আমি যে এক কেজি চিনি নিয়ে যেতাম সেটিকেই দাঁড়িপাল্লার এক পাশে বসিয়ে আমি মাখনের মাপ নিতাম। এই গল্প থেকে আমরা বুঝতে পারি দোকানদার যেমন এই সহজ-সরল গরীব মানুষটিকে ঠকিয়ে চিনি বিক্রি করতেন সেইরকমই নিজের অজান্তেই তিনিও ঠকে গিয়েছেন।

About 24Ghanta News

Check Also

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ-ত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)!!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-সাধারণত একটি ভ্রূ-ণ ধীরে ধীরে মাতৃগর্ভে বড় হয়ে উঠতে সময় লাগে দশ মাস দশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *