মাছ ধরতে গিয়ে সুন্দরী যুবতীকেই গি-লে নিলো বড় প্র-কা’ন্ড মাছ, তু-মু-ল ভাইরাল হলো ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:বিভিন্ন প্রতিকূলতা নিয়ে সব জায়গাতেই মানুষকে নানান রকম সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়।দেখা গিয়েছে সমতলের তুলনায় পাহাড়ের মানুষের জীবনযাত্রা অনেকটাই কঠিন হয়। তার কারণ এখানে যাতায়াতের নানান ধরনের সমস্যা থাকে।শুধুমাত্র তাই নয় পাহাড়ি অঞ্চলে খাবার-দাবারের ক্ষেত্রেও মানুষকে নানান রকম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আবার জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় জীবজন্তুর আক্রমণের মুখে পড়ার ভয় থাকে।

ফলস্বরূপ সংগ্রাম ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব নয় তা একেবারেই স্পষ্ট। মানুষ হোক কিংবা যে কোন পশুপাখি সকলের ক্ষেত্রেই এই এক নিয়ম বর্তায়। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই লড়াই করার মাধ্যমে মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়েছে। বর্তমানে আধুনিক যুগে পৌঁছনোর পরেও এই নিয়মে বিশেষ কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।বরং ধীরে ধীরে তা আরও কঠিন লড়াইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

বর্তমান যুগ সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ।এই যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে খুব সহজেই নানান ধরনের ভাইরাল ঘটনা আমাদের সামনে আসে। এমনিতে খালি চোখে হয়তো কখনোই এই ঘটনাবলি আমরা দেখতে পেতাম না।কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার ব্যবহারকারীদের জন্য এইসব ঘটনা দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।শুধুমাত্র দেশের নয় দেশের বাইরেও নানা জায়গার বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও আমরা প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে দেখে থাকি।ইন্টারনেট জগত আমাদের সাথে বহির্বিশ্বের সংযোগ রক্ষা করে থাকে খুব সহজেই।

সম্প্রতি অন্যান্য ভিডিওর মতো নেট দুনিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ব্যাপক ভাবে ভাইরাল এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সম্ভবত কোনো জঙ্গলাকীর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী এক সুন্দরী তরুণী নিকটবর্তী জলাশয়ে মাছ ধরতে এসেছে।বেশ কিছুক্ষণ মাটি খুঁড়ে নিজের কাজ করার পর আচমকাই একটি বড় মাছ জলের ভিতর চোখে পড়ে তার। ভিডিওর প্রথম অংশে দেখা যায় বেশ উৎসাহ নিয়েই জলের মধ্যে ওই মাছ ধরার জন্য নেমে যান যুবতী।

কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তিনি নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েন। বাস্তবের অন্যান্য মাছের তুলনায় ওই মাছটি ছিল বিশাল আকৃতির। একসময় দেখা যায় যুবতীকেই আক্রমণ করতে চায় মাছটি।কিন্তু নিজের বুদ্ধি এবং সাহসিকতার জোরে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।এবং ভিডিওর শেষ অংশে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছুক্ষণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চালানোর পর এই মাছটি ধরতে সক্ষম হন তিনি।

ভিডিওটি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে কতটা লড়াই করে বেঁচে থাকতে হয় এইসব মানুষকে। কারণ হয়তো এই লড়াই চালাতে না পারলে তাদের ঠিকমতো একবেলা খাবার জুটবে না।এইসব অঞ্চলে দেখা যায় সাধারণত শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সকলেই নানান ধরনের কাজে অংশগ্রহণ করে থাকেন। প্রসঙ্গত এই ভিডিওটি “সারভাইভাল কুকিং” নামক জনপ্রিয় একটি ইউটিউব চ্যানেলের তরফ থেকে শেয়ার করা হয়েছে।মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ভিডিওটি প্রায় 98 মিলিয়ন মানুষ দেখে নিয়েছেন এবং ভিডিওটি লাইক করেছেন প্রায় 3 লক্ষ 40 হাজার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীগণ।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button