কবে মুক্তি মিলবে করোনার থেকে? কবে দূর হবে অতিমারি? স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গবেষকরা! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন:বর্তমান সময়ে এখন মানুষের মনের প্রধান প্রশ্ন কবে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে যাবে! গত বছরের শুরুর দিক থেকেই দেশে প্রভাব বিস্তার করেছে এই মারণ ভাইরাস। এরপর ক্রমাগত অনেক মানুষের অকাল প্রয়াণ এর জন্য দায়ী হয়েছে এই ভাইরাস। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা হাজার চেষ্টার পরেও প্রাণে বাঁচাতে পারেননি রোগীদের।

এরপর বছরের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমলেও উৎসবের সময় মানুষের লাগামছাড়া ভিড়ের কারণে আবারো সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়।যার ফলস্বরুপ ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে প্রবেশ করে।এই দ্বিতীয় তরঙ্গ প্রথমবারের থেকেও অত্যন্ত ভয়াবহ আকার ধারণ করে আমাদের দেশে। সম্প্রতি আবারও দেশে উৎসবের মরসুম শুরু হতে চলেছে। সামনেই রয়েছে দুর্গাপুজো, নবরাত্রি, দীপাবলীর মত উৎসব। তাই জনসাধারণকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এবারে সঠিকভাবে সতর্ক না থাকলে আবারো ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ দেশে শুরু হয়ে যেতে পারে। যার ফলস্বরূপ হয়তো কয়েক হাজার প্রাণ মৃত্যুমুখে চলে যাবে। তাই আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করার কথা বলেছেন গবেষকরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের করোনা চর্চা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এইমসের প্রধান গুলেরিয়া বলেছেন,”আসন্ন উৎসবের দিনগুলিতে মানুষজন যাতে সতর্ক হয়ে বাড়িতে থাকেন সেটাই শ্রেয়। কারন একটি স্থানে হঠাৎ করে জনঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে সংক্রমণের আশঙ্কা যথেষ্ট বাড়িয়ে দেবে।এই মুহূর্তে ভারতের যা পরিস্থিতি তাতে কোনো ভাবেই তৃতীয় ঢেউকে নিমন্ত্রণ করা উচিত নয়”।

তিনি আরো জানিয়েছেন,”দেশে তৃতীয় ঢেউ এর আগমন ঘটবে কি না তা জনতার উপর নির্ভর করছে। উৎসবের দিন গুলিতে মানুষ যদি বাড়িতে পরিবারের সাথে আনন্দ করে কাটিয়ে দেয় তাহলে আগামী তিন মাসে সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে না। তাহলেই তৃতীয় ঢেউ এর আগমন রুখে দেওয়া যাবে। যারা এখনো টীকা নেননি তাদের অবশ্যই টীকা নিতে হবে। টিকাকরণ এর ফলে করোনা সংক্রমনের গতি আগের থেকে অনেকটাই নিম্নমুখী।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে করোনা স্থানীয় রোগে পরিণত হতে চলেছে। যেহেতু দেশের বড় সংখ্যক জনগণের শরীরে এই মহামারীর প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে তাই আস্তে আস্তে সংক্রমণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে এই মারণ ভাইরাস”। উল্লেখ্য দেশে প্রায় বেশিরভাগ মানুষেরই টিকাকরণ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। তার পরেও এখনো পর্যন্ত অনেক জায়গায় লকডাউন এর অবস্থা চলছে। ঠিক কবে থেকে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হবে তা বলা না গেলেও খুব শীঘ্রই দেশে রোগীর সংখ্যা সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে যাবে তা আশা করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button