হাঁসের বাচ্চাদের খে-তে এসে আস্ত ছোট হাঁসকেই গি-লে খেয়ে প্রা-ণ হা-রালো বিরাট কো-বরা, ব্যাপক ভাইরাল হলো ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা আজকাল অনেক জিনিসের সাথে পরিচিত হতে পারি।স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার দরুন খুব সহজেই কিছু টাকা খরচা করে নেটের এমবি কিনে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার বাসিন্দা হয়ে গিয়েছি। যদিও এই ব্যাপারটিকে একেবারেই ভালো চোখে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।

তার কারণ দেখা গিয়েছে যারা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন তারা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি মান-সিক অব-সাদে ভোগেন।এবং অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার ফলস্বরূপ মানুষের মধ্যে নানান ধরনের অপরাধমূলক ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। সাইবার অপরাধের সংখ্যা যেন এক ধাক্কাতেই অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।

আমরা সকলেই জানি যেকোনো শক্তিশালী প্রাণীর সাথে দুর্বল প্রা-ণের ল-ড়া-ই হলে লড়াইতে শক্তিরই জয় হবে। কিন্তু এই নেট দুনিয়ার সাহায্যে আমরা বর্তমানে ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। সম্প্রতি ইউটিউবে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি সর্ব শক্তিশালী বড় কো-বরা সাপের সাথে ল-ড়াইতে ম-গ্ন হয়েছে একটি হাঁসের দল,সেখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মুরগিও।

আমরা জানি একটি কোবরা সাপের শক্তি কতখানি। মুহুর্তের মধ্যে যেকোনো পূর্ণ-বয়স্ক প্রাণীকে কাবু করে ফেলতে পারে সা-পের এই প্রজাতিটি।কোবরার দং-শনের ফলে মানুষের স্নায়ু-তন্ত্র এমনভাবে আ-ক্রান্ত হয় যে মানুষ পক্ষা-ঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারেন। ভারত সহ চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, নেপাল, ভুটান, কম্বো-ডিয়া প্রভৃতি জায়গায় এই সাপ দেখতে পাওয়া যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে,একটি হাঁস মুরগির খামারের হঠাৎ করেই বিশাল বড় কোবরা সাপ প্রবেশ করে ফেলে।মনে করা হচ্ছে হাঁসের বাচ্চাদের খাওয়ার জন্যই এই সাপটি সেখানে প্রবেশ করেছিল। বেশ কিছুক্ষণ ধরে হাঁসগু-লি কে আক্র-মণ করার পর সকলে মিলে একসাথে কোবরাটির উপর আক্র-মণ করে। এমতাবস্থায় কিছুক্ষণ ল-ড়াই চালানোর পর হঠাৎ করেই নিস্তেজ হয়ে যায় সাপটি।

অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে,নিজেদের সন্তানকে রক্ষা করার জন্য যতই দু-র্বল হোক না কেন মা লড়াই করতে ছাড়ে না।তাই অত্য-ধিক বিশালাকৃতির কো-বরা সাপ কে দেখার পরেও ওই মা হাঁসগু-লি নিজের সন্তানকে বাচাঁনোর জন্য ল-ড়াই চালিয়ে গিয়েছে। এবং শেষ পর্যন্ত খুব সহজেই নিজের ল-ড়াইতে জয়-লাভ করেছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button