সন্তানকে ৩-৪ বছর বয়সেই স্কুলে ভর্তি করতে চাইছেন? অবশ্যই জানুন এই বিষয়ে!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বর্তমান সময়ে জন্ম গ্রহণ করার পর থেকেই যেন প্রত্যেকেই ছুটে চলেছে জীবনের লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে। হাসপাতালে বিছানা থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রতিযোগিতা। সবকিছু দিক থেকে লেখাপড়া টাকা পয়সা উপার্জন করা বড় হয়ে ওঠা সঠিকভাবে শিক্ষা গ্রহণ করা সব কিছু দিক থেকে কেন প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে। এবং কোথাও যেন অভিভাবকরা এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। কারণ তারা তাদের বাচ্চাকে ভালো মতন বুঝতে না শিখেই একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে ফেলে।

এখনকার যুগে অভিভাবকদের মনে এমন টা গেঁথে গেছে তাদের ছেলেকে অতি অবশ্যই লেখাপড়ায় প্রথম হতে হবে বা অত্যন্ত ভালো হতে হবে। তার জন্য তিন থেকে চার বছর যখনই বয়স হচ্ছে সন্তানের তখনই তাকে ভর্তি করাতে হচ্ছে স্কুলে। স্কুল মানে রোজ হোমওয়াক পরপর পরীক্ষা। যার ফলে পড়াশোনার প্রতি অনীহা চলে আসে বাচ্চাদের মনে। পাশাপাশি মানসিক ভয় সৃষ্টি হয় অভিভাবকদের নিয়ে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছে স্কুল নয় বরং বাড়িতেই শুরু হোক প্রাথমিক শিক্ষা। প্রথমে আপনি আপনার বাচ্চাকে ABCD লেখাতে শেখান।

তারপরে 123 এবং সেই 123 থেকে অ আ ই ইত্যাদি প্রাথমিক শিক্ষা গুলি বাড়িতে দিন। তারপর যখন পাঁচ বছর হয়ে যাবে তখন তাকে নার্সারিতে ভর্তি করবেন। ফলে সে বাকি সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে। তার কোনো রকম অসুবিধা হবেনা। এর পাশাপাশি আনুষঙ্গিক যে সমস্ত জিনিস গুলো রয়েছে সেগুলি থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করুন ।যেমন ধরুন বায়না করা। বাইরে কোথাও গেলে বা কোন আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে গেলে এরোপ্লেন পুতুলের প্রতি নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় বাচ্চা ছেলেমেয়েদের। সেই সময় তাদের মন অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

ছোট থেকেই সন্তানের মধ্যে ভালো অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। ভালো অভ্যাস মানে শুধু ঠিক সময়ে খাওয়া আর ঘুমানো নয়। এর বাইরে গিয়ে একটু ভাবুন। ধ’রুন শুক্রবার আপনার বাসায় আপনার ননদের মেয়ে এসেছে, আর ওর সাথে আপনার ছেলে খেলছে। দুজনে মিলে খেলার সময় বোনকে যেন ও নিজে’র খেলনা দেয়,সেদিকে খেয়াল রাখু’ন। ভাই বা বোনের স’ঙ্গে ভাগ করে নেয়ার মা’নসিকতা ওর মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে তুলুন। তাহলে ওর মধ্যে বিশেষ কিছু চাওয়ার প্রতি অন্যায় আবদার করার প্র’বণতা অনেকটাই কমে আসবে। শিক্ষার সাথে সাথে এই সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষা গুলো অবশ্যই দিতে থাকুন আপনার সন্তানকে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button