রান্নাঘরে রান্না করছিলেন যুবতী, হ-টাৎ গ্যাস সিলিন্ডারের পিছন থেকে সাপ বেরিয়ে আসায় ঘটলো বি-প-ত্তি, তুমুল ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া দিন প্রতিদিন আমাদের আরো উন্নততর করে তুলছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে আমরা পৃথিবীর প্রতিটি কোণার খবর খুব সহজেই জেনে নিতে পারি মুহূর্তের মধ্যে। খুব সহজেই আমাদের কাছে এই খবরগুলি চলে আসে।পূর্ববর্তী সময়ে সাধারণত চিঠি আদান-প্রদানের মাধ্যমে আমরা দূরবর্তী স্থানের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতাম। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই নিয়মের অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে।

অনেক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সোশ্যাল মিডিয়া গণমাধ্যম এর থেকেও বেশি শ-ক্তি-শা-লী হয়ে উঠছে ক্রমাগত। গণমাধ্যম অর্থাৎ টেলিভিশন, সংবাদপত্র প্রভৃতির আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতে যে কোন খবর ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আমরাও যেকোনো সংবাদ প্রাপ্তির জন্য নেটদুনিয়ার উপরেই সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকি।সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুধুমাত্র দূরবর্তী স্থানের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা নয়, নানান ধরনের প্রতিভার বিকাশও লক্ষ্য করা যায়।

এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই রানু মন্ডল এর মত প্রতিভার খোজ পেয়েছি আমরা। স্টেশনে গান গাইতে থাকা এই রানু মন্ডল এর খোঁজ পেয়ে অতীন্দ্র চক্রবর্তী নামে এক যুবক তা ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন।এখান থেকেই আমাদের রানুদি এতটাই জনপ্রিয়তা পান যে বলিউডের গান গাইতে সক্ষম হন। লকডাউন এরপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা আরো বেড়ে চলেছে। তার কারণ লকডাউন মানুষের জীবনে বিশাল পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

ঘর বন্দী অবস্থায় থাকার পর লকডাউন চলাকালীন মানুষ স্বাভাবিক ভাবেই নিজেদের বিভিন্ন প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এই সময় অনেককেই দেখা গিয়েছে নিজেদের নাচ বা গানের, আবৃত্তির বা রান্নার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে।সম্প্রতি কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন এক ব্যক্তির ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল যিনি নিজের প্রাণের তোয়াক্কা না করে বিষ-ধ-র সাপের ছো-ব-ল থেকে কিছু মানুষকে প্রা-ণে বাঁচিয়েছিলেন।

আবারো এরকম একটি ভিডিওর খোঁজ পাওয়া গেল নেট দুনিয়ায়। যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি বাড়িতে রান্নার গ্যাসের নিচে একটি বিষ-ধ-র সাপ ঢুকে পড়েছে।সাপটি প্রথমে ঘরে ঢুকে মানুষের ভ-য়ে গ্যাসের সিলিন্ডারের তলায় কুণ্ড-লী পাকিয়ে বসেছিল। এরপর উদ্ধারকারীদের একটি দল সাপটিকে ধরার চেষ্টা করলে সাপটি অত্যন্ত ক্ষু-ব্ধ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অনেক কষ্টে সাপটিকে ধরা সম্ভবপর হয়েছে। এই ভিডিওটি বানিয়েছেন মির্জা মোঃ আরিফ নামে একজন ব্যক্তি।

ভিডিওতে দর্শকদের উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ সাপটিকে ভালো করে দেখিয়েছেন তিনি।বিস্তারিত তথ্য জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন এই সাপটির বি-ষ নিউরোটক্সিক প্রকৃতির। যা খুব সহজেই প্রাণীর স্নায়ুতন্ত্র কে আ-ক্রা-ন্ত করে।ভিডিওটি প্রত্যেকের জন্য অত্যন্ত তথ্য পূর্ণ। ভিডিওটি মির্জা মোহাম্মদ আরিফ নিজেই তাই অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে পোস্ট করেছেন।

এমনকি এই ব্যক্তি নিজের যোগাযোগ নম্বরও দিয়েছেন সকলের উদ্দেশ্যে যদি সাপ সং-ক্রা-ন্ত কোন সমস্যা হয় তাহলে তা জানার জন্য। যেভাবে তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সাপটিকে ধরেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসার যোগ্য। অনেকেই তার এই কাজের প্রশংসা করে কমেন্ট বক্সে শুভকামনা জানিয়েছেন।সোশ্যাল মিডিয়ার কারণেই আমরা এত সুন্দর ভাইরাল ভিডিওটি দেখতে পেয়েছি তার কারণে সোশ্যাল মিডিয়াকে কুর্নিশ জানাই।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button