লকডাউনে বাইরে বেরোনোর অদ্ভুত কৌশল তৈরি করেছেন যুবক। গলায় ‘মিষ্টি কিনতে যাচ্ছি’ লেখা পোস্টের ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। তু-মু-ল ভাইরাল হলো ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:গত বছরের মতো চলতি বছরেও করোনাভাইরাস এর দ্বিতীয় ঢেউ দেশজুড়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। ক্রমাগত চার দিকে তাকালেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে মৃ-ত্যু-র মিছিল। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব প্রভৃতি রাজ্যগুলিতে একপ্রকার লাশের স্তুপ পড়ে গিয়েছে। অনেক মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন আবার অনেকেই হারিয়ে ফেলছেন নিজেদের পরিজনদের।

এমতাবস্থায় বেঁচে থাকা যেন এক প্রকার লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষের জন্য।করোনার এই দ্বিতীয় তরঙ্গে খুব সহজেই মানুষের ফুসফুস আক্রা-ন্ত হচ্ছে। যার ফলস্বরুপ শ্বাস-প্রশ্বাস সং-ক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। দিন প্রতিদিন এই কারণে চাহিদা বাড়ছে অক্সিজেনের।

এমতাবস্তায় দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য লকডাউন এর পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আমাদের বাংলাও।সম্প্রতি চলতি সপ্তাহের রবিবার থেকে রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জরুরী পরিষেবা ছাড়া প্রায় সব দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।কিন্তু অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ভাবে মিষ্টির দোকান খোলা রাখা হয়েছে সকাল 10 টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই এই মিষ্টির দোকান খোলা রাখার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে প্রায়শই দেখা যাচ্ছে এই বিষয়ে নানান ধরনের মিম তৈরি হয়েছে।কারণ মুদিখানার দোকান খোলার সময় মাত্র তিন ঘন্টা হলেও মিষ্টির দোকান সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খুলে রাখা হচ্ছে। তাই অনেক নেটিজেনরাই প্রশ্ন তুলেছেন,মুদিখানা দোকান থেকে মিষ্টির দোকানের প্রয়োজনীয়তা কি করে বেশি হতে পারে, এতক্ষণ মিষ্টির দোকান খুলে রাখার কি দরকার?

এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে লকডাউনে বাইরে বেরোনোর জন্য নতুন ধরনের পন্থা গ্রহণ করলেন এক যুবক। নেটদুনিয়ায় তুমুল ভাইরাল একটি ভিডিওতে আমরা দেখতে পাচ্ছি,এই লকডাউন এর মধ্যেও সামনে থেকে একটি লোক আসছেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি মুখে কিছু না বলে তার হাতে লেখা একটি কাগজ দেখিয়ে দেন।কাগজে লেখা আছে “মিষ্টি কিনতে যাচ্ছি”, অর্থাৎ যেহেতু মুদিখানা দোকানের পরেও মিষ্টির দোকান খুলে রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেটিকেই ভদ্রলোক কাজে লাগিয়েছেন।

ভিডিওর শেষ অংশে দেখা যায়,ওই লোকটির গলায় এই পোস্টার ঝুলানো দেখে উপস্থিত পুলিশ কর্মী আর কোনো রকম কথা বলতে পারেননি। যুবকের এই বুদ্ধি সকলকেই অবাক করে দিয়েছে। তবে আবার অনেকেই ওই যুবকের তীব্র নি-ন্দা জানিয়েছেন।

লকডাউনের মধ্যে এভাবে তার মজা করাকে একেবারেই ভাল চোখে দেখতে পারেননি অনেকেই।হৃদয়ের রং নামে একটি জনপ্রিয় অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এই ভাইরাল ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন70 হাজারের কাছাকাছি মানুষ।আপনারও ভিডিওটি ভালো লাগলে বন্ধু বান্ধবদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button