যে লক্ষণগুলো দারুণভাবে স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী, রইলো বিস্তারিত!

নিজস্ব প্রতিবেদন :-মনের চা-হিদা মেটানোর জন্য আমরা সাধারণত চাকরি বাকরি করি বা কোথাও ঘুরতে গিয়ে থাকি । কিন্তু শরীরের চাহিদা মেটানোর উপায় একটি । সেটি হলো যৌন মিলন । যৌন মিলন বা সেক্স ছাড়া কোন উপায় এ শরীরের চা-হিদা মেটানো যায় না । কিন্তু এমন বেশ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে বিয়ে করার পর জীবনের সুখ-শান্তি আসে না । সে ক্ষেত্রে সেই সমস্ত পুরুষরা পতিতালয় বা রেডলাইট এরিয়া এ মুখ গুঁজে ন ।

এবং এর পাশাপাশি যদি শারীরিক তৃপ্তি না থাকে তাহলে কিন্তু সংসারে -ভা-ঙ্গন অব্দি ঘটে যেতে পারে । তাই প্রত্যেক স্বামী এবং স্ত্রী একান্তভাবেই চাই যে তাদের শারীরিক তৃপ্তি আসুক । কিন্তু বাইরে থেকে কিভাবে বুঝবেন যে একটি বিবাহিত মেয়ে অসুখী বা তার স্বামী তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি । এই টি বোঝার জন্য বেশ কয়েকটি লক্ষণ আছে যা আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদেরকে তুলে ধরব ।

সমীক্ষা বলছে যে সুখী নারীদের তুলনায় অসুখী নারীদের রাত জাগার অভ্যাস বেশি থাকে । অর্থাৎ ঘুমের পরিমাণ যথেষ্ট পরিমাণে কম । যে সমস্ত নারীরা সুখী তারা গভীরভাবে ঘুমাতে পারেন । কিন্তু যারা অসুখে তারা এমনটা পারেন না । কাজেই লক্ষণ থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন যে সেই নারীটি তার স্বামীর থেকে অসুখী ।

একজন বিবাহিত নারীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বামীকে ঘিরে। সেই স্বামী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চেষ্টা করেন না তখন সে নারী হয়ে উঠেন একজন অসুখী নারী। বর্তমান সমাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক নারী বিবাহ বহির্ভূত সস্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং নিজের ইচ্ছে বা চাহিদা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন। যেকোন সস্পর্কেই দূরত্ব জিনিসটা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূরত্ব কোন বাহ্যিক দূরত্ব নয়।

পরবর্তী যে পদ্ধতি বা লক্ষণ দেখে আপনি বুঝতে পারবেন সেটি হল ক্লান্তি ভাব । অর্থাৎ যদি কোন নারী তার স্বামীর থেকে সুখ পেয়ে থাকে তৃপ্ত হয়ে থাকেন তাহলে সেই নারীর কাজ করার বা কর্মক্ষমতা অত্যন্ত বেশি থাকে । কোন মতেই ক্লান্তি তাকে গ্রাস করতে পারে না । কিন্তু যারা অসুখী তাদের ক্ষেত্রে এমনটা হয় না ।

আরও পড়ুন

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button