বাড়িতে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে ছিল বিশাল কোবরা সাপ!সাহসিকতার সাথে উদ্ধার করল যুবক! মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-সাপের থেকে আ-ত-ঙ্ক ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয় । বহু যুগ থেকে সাপকে এই পৃথিবীর মানুষেরা ভ-য় পেয়ে আসছে । তার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে তার বিষাক্ত ছোবল । যদি কোন কারণে একটি সাপ কোন মানুষকে ছো-ব-ল মারে তাহলে সেই মানুষটি মাত্র ৫ মিনিটে মারা যেতে পারে যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করানো হয় ।

আমাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত এবং বিষহীন সাপ রয়েছে ।তার পাশাপাশি ভারত বর্ষ অনেক ধরনের বিষাক্ত সাপ রয়েছে । কিন্তু ভারতবর্ষের সব থেকে বিষাক্ত সাপের মধ্যে সাধারণত কোবরা সাপ কে উল্লেখ করা হয় । কারণ এর ছোবলে মাত্র ১৫ মিনিটে একটি মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে ।

সাপের কামড়ে মৃত্যু কোন নতুন ঘটনা নয় । তবে প্রতিনিয়ত এই মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসছে কারণ আগেকার যুগে মানুষ যতটা সচেতন ছিল না । তার পাশাপাশি ছিলনা উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা । তাই আগেকার যুগের সাপের কামড়ে মৃত্যু ঘটতে অনেক বেশি পরিমাণে । কিন্তু বর্তমান যুগে সংখ্যা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে । তবে মাঝে মধ্যেই আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যে সমস্ত ঘটনাবলি দেখতে পাই সেগুলি আমাদেরকে আরো সচেতন করতে সাহায্য করে । একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছে বিভিন্ন জায়গা থেকে সাপ উদ্ধারের কাজ কর্ম । কোন কোন মানুষ এই সমস্ত কাজকর্ম কে সামনে রেখে তাদের জীবন এবং জীবিকা অতিবাহিত করে চলেছে বছরের পর বছর ধরে।

সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে ইউটিউবে সেটি উড়িষ্যার একটি গ্রামের ভিডিও । যেখানে দেখানো হয়েছে যে একটি বাড়ি ঠাকুর ঘরে হঠাৎ করে দেখা মিলেছে একটি বি-ষা-ক্ত কোবরা সাপের । প্রাথমিকভাবে সেই সাপকে চিনতে না পারলেও স্থানীয় বাসিন্দারা তৎক্ষণাৎ খবর দেয় স্থানীয় এক সাপুড়ে কে । কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানকার স্থানীয় সাপুড়ে এসে উপস্থিত হয় । এবং তিনি এসে বলেন যে সেটি কোবরা সাপ । এবং সেই সাপটি সব থেকে বিষাক্ত প্রজাতি ।

যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকাবাসীর মধ্যে । যদিও সেই ব্যক্তিটি অর্থাৎ সেই সাপুড়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেই সাপটিকে ঠাকুর ঘর থেকে উদ্ধার করেছেন এবং নিরাপদ জায়গায় ছেড়ে দিয়েছেন । কারণ তাদের কাজ থাকে সাপ এবং তাদের বংশ রক্ষা করা তার পাশাপাশি মানুষকে রক্ষা করা । ইতিমধ্যে সেই ভিডিওটি ব্যাপক পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে যদিও ভিডিওটি এক বছর আগের পুরনো ।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button