জঙ্গল থেকে গ্রামে ঢুকে চরম আ-তঙ্ক ছড়ালো বিশালাকার কোবরা সাপ! ঘটলো বি-পত্তি! তুমুল ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:- বাড়ি হোক বা খাটের নিচ এমনকি রান্নাঘর হোক বা ঠাকুরবাড়ির, বাড়ির মধ্যে হোক বা বাড়ির বাইরে যদি কোনো কারণে বিষাক্ত সাপের সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে আমরা কিছুটা হলেও আতঙ্কিত হয়ে উঠি । কারণ আগেকার যুগে সাপের কা-মড়ে মৃ-ত্যু কত অনেক মানুষের । কিন্তু প্রতিনিয়ত আমরা উন্নত হচ্ছি । তার সাথে রাতে বেড়ে চলেছে এর প্রভাবও । কিন্তু সবকিছু কে-টে গেল মানুষ ভুলতে পারেনা মনের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে আ-তঙ্ক কে ।

বর্তমানের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমরা অনেক কিছুই ভাইরাল হতে দেখি প্রতিনিয়ত । কিছু না কিছু ভাইরাল হচ্ছে এই সোশ্যাল মিডিয়া হাত ধরে, উঠে আসছে খবরের শিরোনামে । সেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে লাইম লাইটের কেন্দ্রে উঠে আসতে দেখা যায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদেরকে । কখনো না চ কখনো গান কখনো আবার কোনো কোনো প্রতিভাকে সামনে ধরে রেখে প্রতিনিয়ত খবরের শিরোনামে উঠে আসছে কেউ না কেউ ।। কারণ যত দিন যাচ্ছে ততই সক্রিয় হয়ে উঠছে সোশ্যাল মিডিয়া ।

বনে জঙ্গলে হোক বা অন্য কোথাও হয় এর আগে বিভিন্ন ধরনের সাপের ভিডিও দেখতে পাই সোশ্যাল মিডিয়াতে । যেহেতু সাপ একটি বিষাক্ত প্রাণী এবং মানুষের শরীরকে অত্যন্ত ক্ষ-তিকর তাই সাপকে ভয় পাই অনেকে । সম্প্রতি উড়িষ্যার একটি গ্রামের বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত জায়গা থেকে বিষাক্ত সাপকে দেখতে পেয়েছে সেখানকার এলাকাবাসীরা ।। তারা বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে খবর দেয় স্থানীয় এক সপুরেকে । সেখানে এসে উপস্থিত হয় স্থানীয় এক সাপুড়ে এবং তিনি গিয়ে দেখেন যে সেখানে রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে বড় একটি কোবরা সাপ।

সে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে সেখানকার স্থানীয় এক সাপুড়ে এসে উপস্থিত হয় সেই সাপটি কে উদ্ধার করার জন্য । তার পাশাপাশি তিনি দেখেন যে সেই পরিত্যক্ত বাড়িতে সাপটি অত্যন্ত রেগে রয়েছে । যার ফলে যেকোনো সময় যে কাউকেই ছো-বল মা-রার সম্ভাবনা থেকেই থাকে । যেহেতু গ্রামে সাপের ছো-বল মা-রলে বোঝা বা তুকতাক করার প্রবণতা দেখা যায় তাই সেই সাপুড়ে এলাকাবাসীকে অনুরোধ করেছে যে যদি কেউ সাপে কামড় খায় তাহলে তাকে যেন তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয় অন্য কারোর কাছে টুকটাক করানোর থেকে অর্থাৎ মানুষের মধ্যে কুসংস্কারের ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি ।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button