বড় জ্যা’ন্ত কুমিরকে মাটি থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে বি’শাল ঈগল পাখি,বু-লে-টের গতিতে ভাইরাল ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:স্মার্টফোনের যুগে মানুষের অবসর কাটানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত হাতে মোবাইল ফোন না নিলে যেন আমাদের চলেই না। অনেক বিশেষজ্ঞরা তো বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়াকে গণমাধ্যমের থেকেও বেশি শ-ক্তিশা-লী বলে মনে করছেন। কারণ হিসেবে বলা যায় সম্প্রতি মানুষ টেলিভিশন, রেডিও প্রভৃতির থেকেও বেশি নির্ভর হয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর উপর।

আট থেকে আশি কেউই বাদ যাননি এই দল থেকে। সব বয়সের মানুষই এই সোশ্যাল মিডিয়ার আনন্দ উপভোগ করছেন। যদিও ব্যতিক্রম কিছু মানুষও রয়েছেন। এরপর আসা যাক সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়া ভাইরাল ভিডিও গুলির কথায়।এই ভাইরাল ভিডিওগুলির সংখ্যা ক্রমাগত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর সংখ্যার নিরিখে বেড়েই চলেছে। এইখানে নানান ধরনের ভিডিও বেশ চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে অনেকগুলো ভিডিও আমাদেরকে আশ্চর্য করে রেখে দেয়।

হাসি মজা থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ভিডিও এখানে দেখতে পাওয়া যায়। এর আগেও সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা বিভিন্ন ধরনের ভিডিও দেখেছি।সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হলো একটি অসাধারণ ঘটনার ভিডিও। যেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি পাহাড়ি অঞ্চলে আচমকাই একটি কুমিরের পরিবারকে আ-ক্র-মণ করেছে ঈগল পাখির দল। রীতিমতো বেশ কিছুক্ষণ ধরেই ওই কুমির গুলিকে নি-স্তে-জ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ঈগল পাখিরা।

কিন্তু আচমকাই ভগবানের আশীর্বাদের মতো সেখানে উপস্থিত হন এক ব্যক্তি। তার পোশাক—আশাক দেখে তাকে এক বন্য প্রাণীর মতোই বোধ হচ্ছে। সম্ভবত বনাঞ্চলে খাবার সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন তিনি।এই জায়গায় উপস্থিত হয়ে যখন তিনি ঈগল পাখিকে কুমিরের উপর হা-ম-লা করতে দেখতে পান, তখন মানবিকতার কারণে ওই ঈগলপাখি গুলিকে তাড়িয়ে দিয়ে কুমিরগুলোর প্রা-ন বাঁচিয়ে আনেন।

এই ভিডিওটি দেখে অভিভূত হয়ে পড়েছেন নেট দুনিয়ার নাগরিকরা।অনেকেই এভাবে কুমিরের প্রাণ বাঁচানোর জন্য ওই ব্যক্তির প্রশংসা করেছেন ভিডিওর কমেন্ট বক্সে। কারণ যেখানে মানুষ মানুষের পাশে থাকে না সেই জায়গায় একজন পশুর প্রাণ বাঁচানো নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। চাইলে এই ভিডিওটি আপনারাও দেখে আসতে পারেন।কেমন লাগলো প্রতিবেদনটি তা জানাতে অবশ্যই ভুলবেন না।

https://youtu.be/P7YfoF9O8ic

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button