১০ হাজার টাকা দিয়ে সরকারের সঙ্গে শুরু করুন এই ব্যবসা, প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন

নিজস্ব প্রতিবেদন:- প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে যে ভাবে গাড়ি বা বাইকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে তাতে এই ব্যবসা হতে পারে আপনার জন্য একদমই উপযুক্ত ।বর্তমানের পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে যেভাবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা মুখ থুবরে পড়েছে তাতে রীতিমতো দেশবাসীর একাধিক পরিবারের দেখা গেছে অভাব-অনটন। আমরা দেখেছিলাম বিভিন্ন কোম্পানি থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ের গল্প ।লাখ লাখ কর্মী ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছিল কাজের জায়গা থেকে ।

পুনরায় চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার পরিবর্তে অনেকেই ব্যবসা করার কথা চিন্তা ভাবনা করেছেন ।কি ব্যবসা করলে আপনি কম পুজিতে ভাল উপার্জন করতে পারবেন সে ব্যাপারে যদি আপনার কোনো তথ্য জানা থাকে তাহলে আজকের এই প্রতিবেদন সবথেকে উপকারী হতে চলেছে আপনার জন্য।

কি সেই ব্যবসা:-আমাদের আশেপাশে যতগুলি যানবাহন বেড়ে চলেছে তার সাথে সাথে বেড়ে চলেছে তার নথিপত্রের সংখ্যা। শুধুমাত্র গাড়ি কিংবা বাইক কিনে নিলেই যে রেহাই পাওয়া যায় তেমনটা কিন্তু নয় ।পাশাপাশি ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ একাধিক নথিপত্র আপনাকে তৈরি করতে হয় এবং মূলত এটি আরটিও অফিস থেকে তৈরি করতে হয়। কিন্তু তার পাশাপাশি যে জিনিসটি সবথেকে বেশি জরুরী সেটা হচ্ছে দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র । মোটর ভেকেল অ্যাক্ট চালু করার পর আমাদের আশেপাশে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র গুলি ।

এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন মাত্র 10 হাজার টাকা খরচ করে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে একথা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রতিমাসে 50 থেকে 60 হাজার টাকা উপার্জন করা কোন ব্যাপার নয়।

আবেদনের পদ্ধতি:-আপনি আজকে ভাবলেন দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র খুলবেন আর কালকে সেটা খুলে ফেললেন তেমনটা কিন্তু বাস্তবে সম্ভব নয় ।এর জন্য অতি অবশ্যই আপনাকে একটি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে এবং মূলত এই লাইসেন্সটি আরটিও অফিস থেকে গ্রহণ করতে হবে । 10 টাকার একটি স্ট্যাম্প পেপারে তার আগে আপনাকে একটি হলফনামা জারি করতে হবে ।পাশাপাশি অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, মোটর মেকানিক্স, অটো মেকানিক্স, স্কুটার মেকানিক্স, ডিজেল মেকানিক্স বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে একটি শংসাপত্র প্রয়োজন পড়বে আপনার। আর দরকার একটি কম্পিউটার, ইউএসবি ওয়েবক্যাম, ইঙ্কজেট প্রিন্টার, পাওয়ার সাপ্লাই, ইন্টারনেট সংযোগ এবং একটি স্মোক অ্যানালাইজার।

শর্ত:- দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র খোলার জন্য যে কেবিন তৈরি করা হবে তার রঙ অতি অবশ্যই হলুদ হতে হবে। পাশাপাশি সেখানে লিখে রাখতে হবে আপনার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার । মূলত যে স্থানে দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র খুললে অধিক পরিমাণে লাভ হবে সেটি হল যে কোন পেট্রোল পাম্প।পেট্রোল পাম্পের পাশে যদি আপনি মাত্র 10 হাজার টাকা বিনিয়োগ করে এই দূষণ পরীক্ষা কেন্দ্র খুলতে পারেন তাহলে কিন্তু প্রতিদিন 1 থেকে 2 হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন আপনি অর্থাৎ মাস গেলে 50 থেকে 60 হাজার টাকা উপার্জন করা কোন বড় ব্যাপার হবে না আপনার কাছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button