সিদ্ধার্থ সেহনাজ এর রোমান্টিক মুহূর্তের ভিডিওতে আবেগে ভাসলেন নেটদুনিয়া, রইল সেই ভিডিও

“মুঝসে শাদি কারোগি” চমক রিয়েলিটি শো এর মঞ্চে এসেছিলেন সিদ্ধার্থ শুক্লা এবং শেহনাজ গিল কৌর। এদিন একটি মজার খেলা খেলা হয় শেহনাজের সঙ্গে। সকলের চোখ শেহনাজ গিলের দিকে ছিল। কারণ তার ভক্তরা দেখতে চেয়েছিলেন তিনি কাকে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন।

চোখ বাঁধা অবস্থায় এদিন সিদ্ধার্থকে চিনতে ভুল করলেন না শেহনাজ। চোখ বাঁধা অবস্থাতেও নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে চিনে নিয়েছিলেন তিনি। হোস্ট মণীশ পল শেহনাজকে চোখ বেঁধে তাকে ছেলেদের শনাক্ত করতে বলেন। সেই মত তার চোখ বেঁধে দেওয়া হয়।

সিদ্ধার্থ শুক্লাও একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন সহকারীদের সাথে। শেহনাজ তখন তার হাত স্পর্শ করে বলে ওঠেন, “একে আমার কাছে সিদ্ধর্থ শুক্লর মত লাগছে”। হোস্ট মণীশ পল শেহনাজের চোখ খুলে দিতেই অবাক হয়ে যান শেহনাজ। সিদ্ধার্থকে কাছে পেয়েই পরম আনন্দিত শেহনাজকে তখন দেখা যায় সিদ্ধার্থকে জড়িয়ে ধরতে। দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

ইতিপূর্বে “মুঝসে সাদি কারোগি” রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগিতার মধ্যে উপস্থিত প্রতিযোগীদের একজনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা বললে শেহনাজ রাজি হননি। তাঁর কথায়, “আমি তাদের কাউকেই বেছে নিতে চাই না কারণ আমার হৃদয় সিধার্থ শুক্লার জন্য স্পন্দিত হয় এবং কেউ তার জায়গা নিতে পারে না।”

দুজনে দুজনের সম্পর্কের কথা কখনো সামনাসামনি স্বীকার না করলেও, একে অপরকে যে কতটা ভালোবাসতেন তারা তাদের জুটি দেখেই বোঝা যেত। “হার্ট মোমেন্টস” নামক একটি ফেসবুক পেজ থেকে সাম্প্রতিক “মুঝসে শাদি কারোগে” রিয়েলিটি শোয়ের সেই আবেগপ্রবণ মুহূর্তের ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।

হঠাৎ করেই সিদ্ধার্থ এবং শেহনাজ একে অপরকে কাছে পেয়ে যে কতটা খুশি হয়েছে সেই খুশি চোখে মুখে ধরা পড়েছিল তাদের। মাত্র কিছুক্ষণ আগে পোস্ট করা ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সিদ্ধার্থের এই অকাল মৃত্যুতে মানুষ যে কতটা শোকাহত তার প্রমাণ মিলেছে কমেন্ট সেকশনে।

এমন হাসিখুশি ফিট অ্যান্ড ফাইন ছেলেটা হঠাৎ করেই মৃ-‘ত্যুর মুখে ঢলে পড়বে একথা কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে গিয়েছে প্রয়াত সিদ্ধার্থ শুক্লার দেহ। তবুও যেন মন মানতে চায় না। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি ফিরে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ।

ভোর রাতে শরীর খারাপের কথা তার মাকে জানায় সে। মায়ের হাতে জল খেয়ে সেই যে সিদ্ধার্থ ঘুমালো তারপর আর ওঠেনি। সকালবেলা বিষয়টি লক্ষ্য করে সিদ্ধার্থের মা তার বোনেদের এবং ডাক্তারকে ডাকে। এরপর তাকে কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃ-‘ত বলে ঘোষণা করে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃ”’ত্যু হয়েছিল সিদ্ধার্থের।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button