আবেদন করার পরেও পাবেননা ‘লক্ষীর ভান্ডার’ -এর টাকা যদি না থাকে এই কার্ড! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমরা জানি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় গোটা রাজ্য জুড়ে চালু হয়েছিল লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের কাজ কর্ম । এই প্রকল্পের আওতায় বলা হয়েছিল যে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলারা মাসিক ৫০০ টাকা এবং হাজার টাকা করে অনুদান পাবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে । পুজোতে নিজের হাত খরচা যাতে নিজেরাই চালাতে পারে যাতে অন্য কারো কাছে হাত পেতে টাকা চাইতে হয় সে ব্যাপারে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ।

তবে এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে একাধিক সমস্যা উঠে আসছে প্রতিনিয়ত । সম্প্রতি যে সমস্যা দেখা গেল সেটি নতুন এক ধরনের সমস্যা ছাড়া কিছু বলা যেতে পারে না ।লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে যারা আবেদন করেছেন তারা অতি অবশ্যই জানবেন যে সেখানে জাতি শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট চাওয়া হয় । যারা জেনারেল সাধারণ মানুষ তাদের জন্য কোনো রকম কোনো শংসাপত্র দরকার পড়ে না কিন্তু ।

যারা তপশিলি উপজাতি তাদের জন্য অতি অবশ্যই কাস্ট সার্টিফিকেটের দরকার পড়ে । এই পশ্চিমবঙ্গে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের কাস্ট সার্টিফিকেট নেই । তারা নিজেদের কাস্ট সার্টিফিকেট করে নিতে পারবে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে । এমনটা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু সেখানে জলঘোলা হয়েছে আরো একবার ।সম্প্রতি কাস্ট সার্টিফিকেট এখনো পর্যন্ত হাতে না পেয়ে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের আবেদন পত্র জমা করতে পারেনি এমন মানুষ রয়েছে অনেকে ।

লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে জাতিগত সংশা পত্র না থাকায় তা ফর্মের সাথে জমা দিতে পারেননি মহম্মদ বাজারের মেনকা হেমব্রম। এছাড়াও দুবরাজপুর পুরসভার লক্ষী হেমব্রম কিংবা সিউড়ি ভুরকুনা গ্রামের সঞ্চিতা বাউড়ি। প্রশাসনের কথায় ভরসা পাচ্ছেন না আদিবাসী নেতা রবীন সরেন। তিনি জানিয়েছেন, “এখন যারা নতুন করে আবেদন করছেন তারা কবে সংশাপত্র পাবেন জানা নেই। অনেক নথি চাওয়া হচ্ছে।

আগের বার দুয়ারে সরকারে বা অন্য সময় যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন তারা অনেকেই এখনও সংশাপত্র হাতে পাননি। জাতিগত সংশাপত্র নিয়ে আমলাতন্ত্রের নেতিবাচক ভূমিকায় এই হাল।” তিনি আরও বলেছেন, “সুবিধা না পেলে আন্দোলন হবে।”তাই স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের মনে প্রশ্ন আসতে শুরু করেছে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা কি তারা পাবে না?

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button