এই বিশেষ উপসর্গগুলি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে লাখ লাখ শিশু! তবে কি করোনার তৃতীয় ঢেউ চলে এলো? জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-২০১৯ এর শেষের দিকে এবং ভারতবর্ষে ২০২০ প্রথম দিকে শুরু হয়েছিল করোনা মহামারীর প্রভাব । প্রাথমিকভাবে এই ভাইরাসকে তেমনভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি কোন দেশবাসী কিন্তু হঠাৎ করে এই ভাইরাসের প্রভাব গোটা দেশ জুড়ে প্রবল প্রভাব দেখা দিতে শুরু করে । লাখ লাখ মানুষ নিমিষের মধ্যে মরতে শুরু করে ।এমনকি বিভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছিল খবর এর মাধ্যমে সেখানে দেখা যাচ্ছিল যে দাহ করার জন্য কাঠের অভাব হয়ে উঠছে ।

এমতাবস্থায় আ-ত-ঙ্ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল গোটা ভারতবর্ষের জুড়ে এবং প্রত্যেকটি চাইছিল এই অবস্থা থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মুক্তি পাওয়ার জন্য । মুক্তি দিতে পারে একমাত্র ভ্যাকসিন ।। তাই তড়িঘড়ি করে আবিষ্কার হয়েছিল ভ্যাকসিন । কিন্তু তারপরও দেখা গিয়েছিল দ্বিতীয় ঢেউ এর প্রভাব ।।

ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হওয়ার পর এই ভাইরাস নিজের চরিত্রের পরিবর্তন ঘটিয়ে নিয়েছিল যার ফলে দ্বিতীয় ঢেউ এসে ছিল গোটা ভারতবর্ষের জুড়ে । প্রথম বারের তুলনায় দ্বিতীয়বারের অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হয়ে উঠেছিল । দেশবাসীর জন্য । কিন্তু সেই অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর বিশেষজ্ঞদের মতে এমনটা বলা হচ্ছে যে তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে এই ভারতবর্ষে এবং সম্ভবত এটিই শেষ ঢেউ এবং এই ঢেউ এ আ-ক্রান্ত হবে বিশেষ করে শিশুরা ।

তাই শিশুদেরকে বারবার সাবধান থাকার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার । পাশাপাশি বাইরে কোথাও গেলে অতি অবশ্যই মাস্ক এবং স্যানিটাইজার তারা ব্যবহার করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখে । এই ধরনের যাবতীয় সামাজিক স্বাস্থ্যবিধির পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা । কিন্তু সম্ভবত তৃতীয় ঢেউ উপস্থিত হয়ে গেছে ভারতবর্ষে কারণ জলপাইগুড়ি এবং উত্তরবঙ্গে বিপুল সংখ্যক শিশু ভর্তি হচ্ছে এই সমস্ত লক্ষণগুলি নিয়ে ।।

জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে জ্বর,পেটের অসুখ, বমির মতো উপসর্গ নিয়ে ক্রমশ শিশু ভর্তির সংখ্যা বেড়েই চলেছে।আশঙ্কাজনক অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ জন শিশু।হাসপাতালে যে শিশুদের ভর্তি করা হচ্ছে তাদের কারোও রয়েছে প্রচন্ড জ্বর, কারোও দেখা দিয়েছে পেটের অসুখ,কেউ বা আবার বার বার বমি করছে।জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূ্ত্রে খবর, জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে এই মুহুর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৩০ জন শিশু।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজন শিশুকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।হাসপাতাল সূ্ত্রে খবর ৩- ৯ বছরের শিশুরা এই রোগে বেশি পরিমানে আক্রান্ত হয়েছে।এইসব শিশুরা বেশিরভাগই ময়নাগুড়ি,কাকদ্বীপ,ধুপগুড়ি ও হলদিবাড়ির বাসিন্দা।জ্বর,বমি,পেটের অসুখ নিয়ে যেসব শিশুরা ভর্তি হয়েছে তাদের করোনা পরীক্ষার পাশাপাশি ডেঙ্গু,ম্যালেরিয়া র পরীক্ষাও করা হচ্ছে । এ বিষয় নিয়ে জেলা শাসক,হাসপাতালের সুপার ও প্রশাসনকে নিয়ে এক বৈঠক করেন ও দ্রুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে হাসপাতালে আরও প্র‍য়োজনীয় বেড বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।এই ঘটনা সামনে আশাতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে তাহলে কি তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে উপস্থিত হয়ে গেল?

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button