১৪ বছরে বিয়ে , ১৮ বছরে ২ সন্তানের জননী, তবু হার মানেনি তিনি, IPS হয়ে ইতিহাস গড়লেন ইনি!

নিজস্ব প্রতিবেদন:-এই মুহূর্তে আমি যে ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চলেছি সেটি যুব সমাজের পথপ্রদর্শক হতে পারে । আমাদের অনেকের ইচ্ছা থাকে ডাক্তার আবার অনেকের ইচ্ছা থাকে ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বা পুলিশ কর্মী হবার বা অন্যান্য যে কোন পেশার সাথে যুক্ত হবার । ঠিক তেমনি কারো কারো ইচ্ছে থাকে ইউপিএসসি এক্সাম দিয়ে আইপিএস হবার ।

কিন্তু যেহেতু খুব কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে বের হতে হয় তাই অধিকাংশ মানুষ কিন্তু সে দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয় । আবার কেউ কেউ চ্যালেঞ্জের বসে আঁকড়ে ধরে এই ইউপিএসসি এক্সাম কে । যেমনটা ধরলেন অম্বিকা দেবী । কে এই অম্বিকা কি ? তার পরিচয় জানা আপনাদেরকে বিস্তারিত ।

আমরা দেখেছি যে আমাদের ভারতবর্ষে ১৪ বছর ও ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যেতে । এরকম বহু জায়গা রয়েছে যেখানে এই ধরনের চিত্র দেখা যাবে । কখনো কখনো স্বইচ্ছায় আবার কখনো পারিবারিক চাপের কারণে তারা বিয়ে করতে বাধ্য হয় । ঠিক তেমনি তামিলনাড়ুর বাসিন্দা বিয়ে হয়েছিল মাত্র ১৪ বছর বয়সে পুলিশকর্মীর সাথে এবং ১৮ বছর বয়সে দুই সন্তানের মা হয়েছেন তিনি ।

তার স্বামীর সাথে একদিন তিনি প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ দেখতে গিয়েছিলেন । সেখানে কি দেখেন যে তার স্বামী উচ্চ পদস্থ অফিসার কে স্যালুট জানাচ্ছে । তারপর তিনি তার স্বামীকে জিজ্ঞেস করেন যে তিনি একজন পুলিশ কর্মী হবার পরও কেন অন্যজনকে এভাবে স্যালুট জানাতে হচ্ছে । তখন তার স্বামী তাকে জানান যে যাকে তিনি স্যালুট জানিয়েছেন তিনি একজন আইপিএস অফিসার তারপর থেকে অনেকগুণ উচ্চ।

আর এরপর থেকেই অম্বিকা দেবী মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন যে তিনি উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস অফিসার হবেন । কিন্তু মনের মধ্যে বাধা ছিল ব্যাপক পরিমাণে । কারণ মাত্র ১৪ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা সঠিকভাবে করতে পারেনি । এদিকে দুই সন্তানের মা । তাই স্কুলে গিয়ে নতুন করে পড়াশোনা করার কোনো সম্ভাবনা নেই ।

কিন্তু এক্ষেত্রে সাহায্য করেছে তার স্বামী । তা নিয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে মাধ্যমিক এবং স্নাতক পাস করলেন তিনি । তারপর চেন্নাই থেকে ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলেন । একবারে সফলতা আসে নি পরপর তিনবার পরীক্ষা দেওয়ার পর তিনি পাস করতে পারেননি । তখন তার স্বামী তাকে জানান যেন তিনি যেন বাড়ি ফিরে চলে আসেন । তারপর তিনি তার স্বামী কে বলেন যে শেষবারের মতন শেষ চেষ্টা করতেছে এবং চতুর্থবার তিনি সফল হয়েছেন একজন আইপিএস অফিসার হয়েছেন ।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button