পরিক্ষায় পাস করতে হলে যেতে হয় ম্যাডামের সাথে বিছানায়, এ গল্প হার মানাবে বাস্তবকেও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা প্রায় সময় নানান ধরনের ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত হতে পারি। আমাদের চারপাশের আনাচে-কানাচে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটতে থাকে। যেগুলি খুব দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে আমাদের সামনে আসে। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু ঘটনাবলীর কথা আপনাদের সাথে আলোচনা করে নেব যা হয়তো শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের সম্পর্ককে ক-ল-ঙ্কিত করবে। তাহলে আসুন আর দেরি না করে শুরু করা যাক আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদন টি।

ডেইলি মেইল নামের একটি সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটেনে বসবাসকারী ৪০ বছর বয়সী ইওকাসতা নামে এক শিক্ষিকা নিয়মিত তার ছাত্রদের নিজের বাড়িতে ডেকে নিতেন।তার সাথে বিছানায় শুতে রাজি হলে তবেই পাশ করিয়ে দেওয়া হবে, এমনটাই বলতেন তিনি।শুধু পাস করানোর জন্যই নয়, ভালো ফলাফলের লোভ দেখিয়েও ছাত্রদের বাড়িতে ডেকে নিতেন। রাজি না হলে ফেল করিয়ে দেয়ার ভ-য় দেখাতেন তিনি। দীর্ঘদিন পর এক ছাত্রের সাহসিকতায় এই ঘটনা সকলের সামনে এসেছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অপর একটি ঘটনার থেকে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন তার স্কুল শিক্ষিকা। দীর্ঘদিন ধরে ওই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের সাথে তার শিক্ষিকার প্রেম সম্পর্ক ছিল। বারংবার ২৬ বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা কে বোঝানোর পরেও কোনো লাভ হয়নি।

ছাত্রটির পরিবার এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে তি-রস্কৃ-ত হয়েছিলেন তিনি। এরপর আচমকাই এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ার কারণে নাবালক ওই ছাত্রকে নিয়ে পালিয়ে যান শিক্ষিকা।পুরো ব্যাপারটি সকলের সামনে আসার পর সাথে সাথেই ছাত্রটির বাবা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ফুসলিয়ে তার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ জানান। কিছুদিনের মধ্যেই দুজনকে খুঁজে বের করে স্থানীয় প্রশাসন।

বর্তমানে এই দুটি ঘটনা নেট মাধ্যমে তুমুল ভাইরাল হয়েছে। জানিয়ে রাখি, এই ঘটনা গুলো শোনার পর অনেকেই শিক্ষাব্যবস্থাকে কটাক্ষ করতে শুরু করে দিয়েছেন। একথা সত্যি যে ভালোবাসা হয়তো বয়স মানে না।কিন্তু একজন নাবালক এর সাথে কখনোই জোরজবরদস্তি এই ধরনের কাজ করা উচিত নয়।এই বিষয়ে আপনার কি মতামত চাইলে আপনারাও আমাদের প্রতিবেদনের কমেন্ট বক্সে সহজেই জানাতে পারেন।এবং ব্যক্তিগত জীবনে এই ধরনের কোন ঘটনা সম্পর্কে অবহিত হয়ে থাকলে অবশ্যই আমাদের জানাতে পারেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button