মেয়েদের ২২ বছরের আগে বিয়ে না হলে পড়তে পারেন এইসব বড় সমস্যায়! জেনে নিন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- পরিবারে যখন কোন মেয়ে জন্মগ্রহণ করে তখন থেকেই দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে যায় বাড়ির অভিভাবকদের লেখাপড়ার খরচ ছাড়াও মেয়েদেরকে বিয়ে দিয়ে অন্যদের ঘরে পাঠাতে হবে এরকম একটা ভাবনাচিন্তা প্রায় প্রতিটি অভিভাবকদের মনে প্রথম থেকে গিয়েছে। যদিও বর্তমান সময়ে এই ধরনের ভাবনা-চিন্তার অনেকখানি পরিবর্তন ঘটেছে।

কিন্তু সম্পূর্ণ রকম ভাবে যে পরিবর্তন ঘটে গেছে এমনটা বলা চলবে না এখন বর্তমান যুগে ছেলে এবং মেয়েদের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখা যায় না তেমন ভাবে ।এমন কোন কাজ নেই যেগুলো ছেলেরা করতে পারে কিন্তু মেয়েরা পারেনা তাই সব ক্ষেত্রে এই ভারসাম্য পরিলক্ষিত হয় তবুও মাঝে মধ্যে যদি কোন পরিবারের অভিভাবকরা তাদের বাড়ির মেয়েকে 22 বছরের মধ্যে বা তার আগে বিয়ে দিতে না পারে তাহলে যে ধরনের সমস্যা গুলি দেখা যায় সেগুলি নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদনটি

প্রথমত বয়স হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে যদি বিয়ে না হয় তাহলে আপনি কোন অনুষ্ঠান বাড়ি বা উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। কারণ পাড়া-প্রতিবেশীরা কখনোই এগুলিকে ভালো চোখে দেখেনা । এবং নানান ধরনের প্রশ্ন করতে থাকে আপনার বিয়ের বয়স নিয়ে ।।যার ফলে আপনি অস্বস্তি তে পড়বেন।

সঠিক সময় যদি আপনার বিয়ে না হয় তাহলে আপনি কোন ধরনের পোশাক পরবেন সেটাও নির্বাচন করে দেয় অন্য কেউ। অর্থাৎ যদি আপনি আপনার পছন্দের মতন জমকালো কোন পোশাক পড়ে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনাকে নিয়ে সমালোচনা হবে অনেকখানি।

যদি কোনো কারণে বাড়ির মা-বাবারা তার মেয়েকে ২২ বছরের পরেও বিয়ে দিতে অক্ষম থাকে তাহলে তাদেরকে হা-হুতাশ করতে দেখা যায় । কখনো কখনো এতটাই চিন্তিত হয়ে পড়েন তারা যে ছেলে মেয়েরা নিজেদেরকে অপরাধী হিসেবে মনে করে।

অবিবাহিত মহিলাদের কে সবসময় খারাপ চোখে দেখা হয়ে থাকে । তার নামে নানান রকমের কুরুচিকর মন্তব্য করা হয় এবং দূর্নাম রটানো হয় যার ফলে তার ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত নিচে নামতে শুরু করে।

২২ বছর হয়ে গেলেও যে নারীর বিয়ে হয়নি তাঁরনিরাপত্তাও অনেক সময় বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কারণ এই একা মহিলাদের অনেকেই সহজলভ্য মনে করে এবং নানা রকম কু-প্র-স্তাব দেন৷ এমনকী এমনও হয়েছে একা রয়েছেন বলেই অনেক পুরুষের ও শি-কার হয়ে যান৷

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button