নিজের এলাকাতে ব্যাংকের CSP খুলে মাসে 30,000 টাকা রোজগার করুন! জানুন কিভাবে করবেন আবেদন।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন হয়তো অনেকেই দেখে থাকেন। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে হয়তো সে স্বপ্ন সফল হয়না। কিন্তু তবুও আপনি বাইরে থেকে ব্যাংকের সাথে যুক্ত থেকে কাজকর্ম করে টাকা পয়সা উপার্জন করতে পারবেন। একদম ঠিক শুনেছেন একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখবেন যে বর্তমানে যে সমস্ত গুলি রয়েছে সেগুলো এখন খুব অল্প মাত্রায় ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তার কারণ কি? তার কারণ হচ্ছে আমাদের আশেপাশে খুলে গেছে অনেকগুলি গ্রাহকসেবা কেন্দ্র বা কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট অর্থাৎ সিএসপি।

কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট বা গ্রাহক সেবাকেন্দ্র ব্যাংকের মতন সমস্ত কাজকর্ম করে থাকে ব্যাংকের হয়ে। আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে মূলত আমরা জেনে নেবো যে কিভাবে আপনারা গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলবেন এবং এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য। প্রথমে আপনাকে জানতে হবে সিএসপি কি অর্থাৎ কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট কি? মূলত কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট হচ্ছে এমন এক ধরনের ব্যবস্থাপনা যেখানে আপনি ব্যাংকের মতন সমস্ত কিছু কাজকর্ম করতে পারবেন অথচ বাড়ির কাছাকাছি কোন একটি জায়গাতে।

এবার যদি আপনি বলেন যে এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের সুবিধা কি? অনেকগুলি সুবিধা রয়েছে। যেমন ধরুন আপনার বাড়ি থেকে ব্যাংক যদি অনেকটা দূরে অবস্থিত হয় তাহলে আপনি আপনার এলাকার মধ্যে থাকা গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে ব্যাংকের সেই সমস্ত কাজ গুলি করে নিতে পারবেন। পাশাপাশি যদি আপনি নিজে গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খোলেন তাহলে প্রতি মাসে এক নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উপার্জন হবে আপনার। এমন কি গ্রাহকের অর্থাৎ কাস্টমার এর সময় বেঁচে যায় অনেকখানি। গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে কি কি ধরনের সার্ভিস পাওয়া যায়?

সে অর্থে আপনাদেরকে বলতেই হবে যে একটি সরকারি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ এ যে সমস্ত কাজগুলো আপনি করে থাকেন বা সুবিধা পেয়ে থাকেন সেই সমস্ত কাজের অন্তত 8p-90% কাজ হয়ে যাবে এই গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে বা কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট এ। এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খোলার জন্য অতি অবশ্যই আপনাকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করতে হবে ।তার পাশাপাশি যে সমস্ত নথিপত্রগুলো রাখবে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটি সেটি হল পুলিশ ভেরিফিকেশন।অর্থাৎ পুলিশ থেকে একটা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট নিতে হবে।

যেখানে বলা থাকবে তো আপনার নামে পূর্বের কোন অপরাধমূলক ঘটনা জড়িত নেই। পাশাপাশি ব্যাংকের একাউন্ট আধার কার্ড প্যান কার্ড ভোটার কার্ড অবশ্যই লাগবে এবং আপনি যে জমির উপর এই গ্রাহকসেবা কেন্দ্র তৈরি করতে চলেছেন সেই জমির লিগ্যাল ডকুমেন্ট অতি অবশ্যই লাগবে। এবার আসা যাক গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলতে গেলে আরো কি কি জানা প্রয়োজন আপনাদেরকে। প্রথমে বলে রাখি যে এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলতে গেলে একটা রেজিস্ট্রেশন করতে হয় যেখানে আপনাকে 8 থেকে 10 হাজার খরচ করতে হতে পারে।

তার পাশাপাশি যাবতীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য সব মিলিয়ে সর্বমোট 1 লাখ থেকে 2 লাখ টাকা আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে আপনার গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে প্রতিদিন কত টাকার লেনদেন হচ্ছে তার ওপর একটি নির্দিষ্ট কমিশন থাকবে আপনার এবং সেই কমিশন হবে আপনার মাসিক উপার্জন। যদি আপনি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলতে চান তাহলে অতি অবশ্যই যে ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলতে চাইছেন সেই ব্যাংকের ম্যানেজারের সাথে আগে কথা বলুন ।কারন ম্যানেজার যদি সম্মতি না দেন তাহলে আপনি কোন রকম ভাবেই ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র খুলতে পারবেন না।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button