নিজের সন্তানকে মেধাবী, বুদ্ধিমান ও স্মার্ট করে তুলুন এই ১০ টি উপায়ে! জানুন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা তাদের সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই বুদ্ধিমান করার চেষ্টা করে থাকে। কারণ যদি কোনো কারণে বুদ্ধিমান না হয়ে থাকে তাহলে আগামী দিনে পড়াশোনা ক্ষেত্রে বলুন না চাকরির ক্ষেত্রে যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূলতা আসতে পারে তার সামনে। তাই মেধাবী ও বুদ্ধিমান করার সিদ্ধান্ত এবং চেষ্টা ছোটবেলা থেকে শুরু হয়ে থাকে প্রতিটি বাড়িতে ।কেউ কেউ হয়তো বুদ্ধিমান হয়ে যায় এর প্রভাবে।আবার কেউ হয় না। কিন্তু যে সমস্ত বিষয়গুলি আপনি নিয়মিত পালন করলে আপনার সন্তান অতি অবশ্যই ভবিষ্যতে বুদ্ধিমান হবে সে বিষয়গুলো নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদনটি।

১) প্রথমত ছোটবেলা থেকে তার প্রতিভা বা ইচ্ছেকে গুরুত্ব দিতে হবে। যেমন ধরুন যদি আপনার সন্তান গান নাচ আবৃতি আঁকা বা খেলাধুলাতে বিশেষ মনোযোগ থেকে থাকে তাহলে তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই সমস্ত বিষয়গুলি করতে দেন। যেগুলি তার ভালো লাগে তাকে কখনোই নিয়মমাফিক দেবেন না যে বড় হয়ে থাকে এমন টাই হতে হবে তাহলে কিন্তু সে বিগড়ে যাবে।

২) আপনি আপনার সন্তানকে বুদ্ধিমান এবং মেধাবী করতে গেলে অতি অবশ্যই বাবা মায়ের দায়িত্ব পালন করুন। সন্তান কি বলতে চাইছে তার মনের মধ্যে কোন জিনিস লোকানো রয়েছে সেসব কিছু জানার চেষ্টা করুন।

৩) বুদ্ধিমান শিশুদের উদ্বুদ্ধ রাখতে, আগ্রহী রাখতে তাদেরকে অভিনব সব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে হয়। জীবনের বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সাহস বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, দিনের পর দিন একইরকম গতানুগতিক জীবন আলস্য, স্থবিরতা ডেকে আনে। নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ প্রতিকুলতার সাথে শি’শুর খাপ খাওয়ানোর ক্ষ’মতা বাড়ায়।

৪) পড়ার ঘর গুছিয়ে রাখুন। পাশাপাশি পড়ার ঘরে রাখুন একটি বুক সেল্ফ যার মধ্যে সমস্ত বই গোছানো অবস্থায় থাকবে।

৫) ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো রাখুন ।কারণ গবেষণায় এমনটাই জানা যাচ্ছে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ঘরে থাকে তাহলে শিশুর পড়াশোনা করতে অনেকখানি সুবিধা হয়। তার পাশাপাশি তারা পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে।

৬) বাচ্চার বুদ্ধিবৃত্তিক এবং আবেগের চাহি’দাকে সাহায্য করতে হবেঃ- সমস্ত শিক্ষার মূলে রয়েছে জানার আগ্রহ, জিজ্ঞাসা। স্কুল শুরুর আগেই শিশুরা অনেক প্রশ্ন করে। ধৈর্য না হারিয়ে সেসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া।

৭) সর্বদা পড়াশোনা কথা কখনোই শিশুকে বলবেন না মাঝেমধ্যে অবশ্যই ব্রেক দেন। সেই ব্রেকের সময় আপনি তার সাথে গল্প করতে পারেন বা সে ভিডিও গেম খেলতে পারে এমনকি বাড়ির মধ্যে যে কোন ধরনের খেলাধুলা করতে পারে বা যেকোনো বিনোদনের সাথে যুক্ত থাকতে পারে।

৮)পড়াশোনা করতে বসানোর আগে অতি অবশ্যই তাকে বিনোদন জগতের সাথে যুক্ত রাখুন। হতে পারে সেটি আপনার হাত ধরে ।অর্থাৎ আপনি নিজে তাদেরকে কোন গল্প বলছেন বা নিজে এমন কোন কাজ করছেন যেগুলোর মাধ্যমে সে আনন্দিত হচ্ছে ।কাজেই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে আপনার শিশু পড়াশোনা শুরু করার আগে একটু হাসি খুশি থাকতে পারে।

৯) তার চেষ্টাকে অতি অবশ্যই প্রাধান্য দিন। অর্থাৎ কোনো শিশু যদি কোন কিছু নতুন শেখার আগ্রহ প্রকাশ করছে তাহলে অতি অবশ্যই তার সেই ইচ্ছে বা আগ্রহ কে প্রশংসা করুন। এতে শিশুর মনে বিকাশ ঘটবে এবং ছোটবেলা থেকে সে বুদ্ধিমানের পথে হাঁটা শুরু করবে।

১০) প্রতিনিয়ত কাজের তালিকা তৈরি করে রাখুন। বাড়িতে কোন বোর্ড রাখুন। যার মধ্যে প্রতিদিনের কাজের তালিকা তৈরি করা থাকবে। পাশাপাশি তৈরি করা থাকবে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলির কথা এবং বন্ধু-বান্ধবীদের জন্মদিনের কথা যার। ফলে সন্তান বুঝতে পারবে যে আপনি তার প্রতি দায়িত্ব বান অনেকটা।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button