দারুন সুখবর! হাওড়া স্টেশনে বড় ফুড প্লাজা খোলার অনুমতি দিলো ভারতীয় রেল বোর্ড! কবে থেকে চালু হবে? জানুন বিস্তারিত!

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক: উৎসবের মরশুমকে বা ভ্রমণপিপাসু মানুষের ভ্রমণ আরও আনন্দের করে তুলতে বড় ঘোষণা করেছে রেল। পশ্চিমবঙ্গে ৩১ শে অক্টোবর থেকে যেমন সব লোকাল ট্রেন চালু করা হয়েছে ঠিক তেমনই রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টেশনে ফুড প্লাজা পুনরায় চালু করার। কোভিড পরিস্থিতিতে গত মার্চ মাসে বন্ধ হয়েছিল এই ফুড প্লাজা। এবং তারপর চিপস, বিস্কুট ইত্যাদি নিয়ে বসলেও সেভাবে বিক্রি হতনা বললেই চলে। সাধারণত একটি রেলওয়ে ফুড প্লাজায় যেমন বসে খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে তেমনি দাঁড়িয়ে খাওয়ার বা খাবার প্যাক করে নিয়ে যাওয়ারও ব্যবস্থা থাকে। ফলে উপকৃত হন রেলযাত্রী বিশেষত দূরপাল্লার ট্রেন যাত্রীরা।

কোভিড পরিস্থিতিতে ফুড প্লাজা:কোভিডের কারণে ফুড প্লাজার মালিকের যে বড়সড় ক্ষতি হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পুরোনো সেই চেনা ছন্দে আর দেখা যাচ্ছে না ফুড প্লাজা। তা এখন একেবারে ফাঁকা। আমরা যদি হাওড়া স্টেশনের ফুড প্লাজার কথা ভাবি সেখানে একসাথে ২৭৫ জন মানুষ বসে ও দাঁড়িয়ে খাবার খেতে পারবেন। খাদ্য তালিকায় সাধারণত থাকে চা, কফি , ফ্রুট জুস ইত্যাদি পানীয় থেকে শুরু করে ইডলি- ধোসা কিংবা বিরিয়ানির মত খাবারও। ফলে খুবই সুবিধা হয় যাত্রীদের।

তবে কোভিড পরিস্থিতিতে ফুড প্লাজা বন্ধ হওয়ায় খাদ্যাভাবে ভুগেছেন রেল যাত্রীরা। তবে ফুড প্লাজা কোভিড পরিস্থিতিতে খোলা রাখা হলে সেখান থেকে কেবলমাত্র জল, বিস্কুট, চিপস ইত্যাদি বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে তাও সেরকম রমরমে বাজার লক্ষ্য করা যায়নি ফুড প্লাজার। হাওড়া স্টেশনের উদাহরণ ধরলে, কোভিড কালে হাওড়া স্টেশনে ঢোকা ও বেরোনোর গেট দিয়ে সকল যাত্রী চলাচল করলেও ফুড প্লাজার দিকে যেতে দেওয়া হচ্ছিল না কোন যাত্রীকেই। তবে পরে অবশ্য রেল কর্তৃপক্ষ ফুড প্লাজার দিকে যাত্রীর আনাগোনায় বাধা সৃষ্টি করেননি।

পুনরায় খুলছে ফুড প্লাজা:রেলওয়ে ফুড প্লাজা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে IRCTC । IRCTC থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর থেকেই খুলে দেওয়া হবে ফুড প্লাজা ‌। ফুড প্লাজা ফিরবে তার আগের চমকে। তবে IRCTCএর নির্দেশিকায় জানান হয়েছে এই ফুড প্লাজা খুলতে হলে প্রতিদিন দিতে হবে ২০% লাইসেন্স ফি। এই প্রসঙ্গে হাওড়া ফুড প্লাজায় জড়িত ব্যক্তিদের মন্তব্য, ” ফুড প্লাজা চালাতে বছরের শুরুতেই দিয়েছি ছয় কোটি টাকা।

এখন যদি আবার প্রতিদিন ৩০ হাজার টাকা করে দিতে হয়, তাহলে আমাদের পক্ষে ফুড প্লাজা চালান মুশকিল। মাসে ফুড প্লাজা খুলে রাখতেই যদি ৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়, এতদিন লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তা সম্ভব ছিলনা।” তবে এতসব জল্পনার মাঝেও খুলছে ফুড প্লাজা। যা যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি এনেছে, এখন আর ট্রেন চলাচলের পথে কষ্ট হবেনা খাদ্যের। কোভিড বিধি মেনে এখন বসে খাওয়ারও ব্যবস্থা থাকবে এই ফুড প্লাজায়।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button