সামান্য নামতা বলতে পারছেন না সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা! মাস গেলে যার মাইনে 45,000 টাকা! তুমুল ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:-শিক্ষক শিক্ষিকাদের কথা বললেই প্রথমে যে ভাবনাচিন্তা আমাদের মাথায় আসে সেটি হচ্ছে শ্রদ্ধা কারণ একজন শিক্ষক এবং শিক্ষিকা একজন ছাত্রকে সঠিকভাবে জীবনের সাফল্য পেতে সাহায্য করেন সঠিক পথে নিয়ে যায় পড়াশোনার মাধ্যমে। কিন্তু সেই শিক্ষক শিক্ষিকার যদি গোড়ায় গলদ থেকে যায় তাহলে কিন্তু ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা রকম ভাবে দাঁড়ায় ।

আর ঠিক সেই ঘটনা উঠে এলো সামনের সারিতে এবং এটি ঘটেছে বিহার রাজ্যে যেখানে একজন স্কুল শিক্ষিকা বলাবাহুল্য সরকারি স্কুল শিক্ষিকা মাইনে পায় হাজার হাজার টাকা তবুও 8 এর ঘরের নামতা বলতে হিমশিম খাচ্ছে তিনি। এমনকি তেরোর ঘরের নামতা ভুলভাল বলছেন তিনি।সম্প্রতি ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে এই ভিডিওটি বিহার রাজ্যের সরকারি স্কুলের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে তুলে ধরেছে।

প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা হলেও ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা দিতে ব্যর্থ তিনি। কারণ মাত্র ৮ এর ঘরের নামতা বলতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ওই শিক্ষিকা। মাস গেলে হাজার হাজার টাকা মাইনে পাচ্ছেন তিনি। কিন্তু পড়াশোনা করানোর বেলায় অষ্টরম্ভা।কিন্তু সেই বিষয়ে খুব একটা লজ্জা নেই তার। বরং লজ্জাহীনভাবে নিজের না পারার বিষয়টি সকলের কাছেই প্রকাশ করছেন তিনি।

নামতা বলতে না পেরে যেখানে লজ্জায় মুখ লুকানোর প্রয়োজন ওই শিক্ষিকার, সে জায়গায় একেবারে নির্লজ্জের মতো হাসতে থাকেন তিনি। এমনই এক ভিডিও সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।শুধুমাত্র শিক্ষা ব্যবস্থা নয় তার পাশাপাশি মিড ডে মিলের ব্যবস্থা অত্যন্ত জঘন্য সেখানে পুষ্টিযুক্ত খাবার খাওয়ানোর পরিবর্তে পাওয়া যাচ্ছে কাকর ভর্তি ভাত ।

কিভাবে প্রশাসন চোখ বন্ধ করে রয়েছে সে ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে ।এমনকি বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে ।পাশাপাশি যদি আপনারা ক্লাস রুমের অবস্থা দেখেন তাহলে আপনাদের চক্ষু চড়কগাছ। প্লাস্টার এবং ঢালাই উঠে যাওয়া মেঝেতে বসে রয়েছে কয়েকটি ছাত্র।

চেয়ার টেবিলে বসে রয়েছেন শিক্ষিকা ।তার পাশেই নিজের ছেলেকে ঘুম পারাচ্ছে তিনি ।এমন বেহাল অবস্থা বিহারের শিক্ষা। অনেকে এই ভিডিওটি প্রকাশিত হবার পর বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায়ও এগিয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button