সহজ ৫ টি ধাপে বাড়িতে বসেই পেয়ে যান স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স! রইল বিস্তারিত পদ্ধতি!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- বর্তমান যুগে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে বাইক এবং গাড়ির সংখ্যা। যত চাহিদা বাড়ছে ততোই বাড়ছে দাম ।তার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। ড্রাইভিং লাইসেন্স হলো এমন একটি নথি যেটা ছাড়া গাড়ি চালানোর কথা দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারে না গাড়ির চালকরা ।কারণ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া যদি কোন গাড়ির চালক গাড়ি চালায় তাহলে রাস্তার মধ্যে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তিনি।

এমনকি পুলিশ সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন তিনি। মোটা অংকের টাকা জরিমানা থেকে শুরু করে জেল হেফাজত ও হতে পারে তার। তাই গাড়ি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বের হতে পছন্দ করেন প্রত্যেক। সম্প্রতি সাধারণ ড্রাইভিং লাইসেন্স গু-লিকে এখন স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরিণত করছে এবার হয়তো আপনার মনে হতে পারে যে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স কী?

এক কথায় বলা যেতেই পারে যে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স হলো এমন এক ধরনের লাইসেন্স যেখানে একটি মাইক্রো চিপ লাগানো থাকে। আর এই চিপ স্ক্যান করলেই সমস্ত তথ্য হাতের মুঠোয় চলে আসছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কতগুলি গাড়ি চালাণোর জন্যে কেস খেয়েছে। ট্র্যাফিক আইন ভেঙেছে সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন সরকারি আধিকারিকরা। আর এভাবেই এই স্মার্ট লাইসেন্স বানানো হয়েছে। সরাসরিভাবে জেনেনিন কিভাবে এডিট জন্য আবেদন করতে পারবেন বাড়িতে বসে।

১) সবার আগে ট্রান্সপোর্ট ডিপার্মেন্টের সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। আর সেখানে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর স্মার্ট কার্ড একটা অপশন জ্বলজ্বল করতে দেখা যাবে। আর সেখান থেকেই স্মার্ট লাইসেন্স সংক্রান্ত আবেদন ডাউনলোড করতে হবে।

২) ডাইনলোড করা ফর্ম ভরতে হবে এবং যে সমস্ত ডকুমেন্ট চাওয়া হবে তা দিয়ে স্থানীয় আরটিও অফিসে জমা করতে হবে।

৩) ওই ফর্ম জমা করার পর ২০০ টাকা জমা করতে হবে। আর ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়ার জন্যে সময় বুক করতে হবে।

৪) ড্রাইভিং টেস্টে পাস করার পরে এরপর রেটিনা স্কেনিং, ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং ফটোর বায়োমেট্রিক দিতে হবে।

৫) এরপর আর আপনাকে কিছু করতে হবে না। স্থানীয় আরটিও অফিসই যোগাযোগ করে আপনার ঠিকানাতে স্মার্ট লাইসেন্স পাঠিয়ে দেবে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button