জলের মধ্যে ঘূর্ণি পাঁ-কে পড়ে যাত্রীসহ চোখের সামনে ডু-বে গেলো বি-শা’লকার লঞ্চ, তুমুল ভাইরাল হলো ভিডিও!

নিজস্ব প্রতিবেদন:ছোটবেলা থেকেই আমরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল সম্বন্ধিত নানান ধরনের গল্প শুনে এসেছি। অনেক বইতে এবং প্রতিবেদনে আমরা এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারি। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা বাংলাদেশে অবস্থিত এমন একটি ট্রায়াঙ্গেলের কথা বলব যেখানে হঠাৎ করেই জলের মধ্যে ঘূর্ণিপাকে পরে যেকোনো জাহাজ বা লঞ্চ ডুবে যায় সহজেই। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি বিশেষ ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

জানা গিয়েছে এই ঘূর্ণিপাকে একাধিক বড় বড় লঞ্চ এবং জাহাজ এর আগেও অনেকবার তলিয়ে গিয়েছে।বিভিন্নভাবে খোঁজ করেও সেই সব জাহাজগুলোর কোনরকম সন্ধান পাওয়া যায়নি। সন্ধান পাওয়া যায়নি সেই জাহাজে অবস্থানকারী যাত্রীদেরও। এককথায় আচমকাই কালের গর্ভে যেন হারিয়ে গিয়েছেন তারা। তাহলে আসুন দেরি না করে আমাদের এই বিস্তারিত প্রতিবেদনটি শুরু করা যাক।

সম্প্রতি সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের এই ট্রায়াঙ্গেল সম্বন্ধিত বিশেষ কিছু তথ্য। বাংলাদেশের চাঁদপুরে ত্রিনদীর সঙ্গমস্থলে এই ট্রায়াঙ্গেল অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এই ট্রায়াঙ্গেল কোরাইলার মুখ নামে পরিচিত। জানা গিয়েছে এই ট্রায়াঙ্গেলে পদ্মা-মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদী এসে মিলিত হয়েছে।

একসাথে তিন নদীর মিলনস্থল হওয়ায় এখানে তীব্র ঘূর্ণপাকের সৃষ্টি হয়েছে। তিন নদীর সঙ্গমস্থল কে ভ-য়-ঙ্ক-র মৃত্যুকূপ বলে অভিহিত করা হয়। আমরা সকলেই জানি সাধারণভাবে নদীর তীর খুব বেশি গভীর হয় না। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি এই সঙ্গমস্থল নদীর তীরবর্তী হওয়ার পরেও অত্যন্ত গভীর।

বিশেষত বর্ষাকালে নদীর এই অংশে কোন রকম জাহাজ, ট্রলার বা লঞ্চ চলাচল করতে পারে না একেবারেই। এই জায়গায় জলের ভয়ঙ্কর রূপ দেখে যেকোনো মানুষের মনে আত-ঙ্ক তৈরি হতে বাধ্য। প্রসঙ্গত এই জায়গায় আমরা জলে ডোবার বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও ইতিমধ্যেই নেট মাধ্যমে হয়তো দেখেছি।

স্থানীয়ভাবে এই সঙ্গমস্থল নিয়ে মানুষের মুখে নানান ধরনের গল্প কথিত রয়েছে। যা যুগের পর যুগ ধরে ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় এক কাউন্সিলর জানিয়েছেন, এই মোহনায় প্রতিদিনই দুর্ঘ-ট-না ঘটতে দেখা যায়। প্রতিটি দিন পেরোনোর সাথে সাথেই দুর্ঘটনার পরিমাণ যেন বেড়েই চলেছে।

এমনকি এই সঙ্গমস্থলে ঘূ-র্ণিপা-কের কারণে পদ্মা নদীতে ইলিশ মাছ আরোহন এর ক্ষেত্রেও বিশেষ সমস্যা দেখা দিয়েছে কিছুদিন ধরে।তাই যত শীঘ্রই সম্ভব আধুনিককালের মানুষকে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসা উচিত। না হলে হয়তো কালের নিয়মে এখানে আরো অনেক মানুষেরাই প্রা-ণ হারাবেন।যাই হোক আমাদের এই প্রতিবেদনটি আপনার কেমন লাগলো তা জানাতে অবশ্যই ভুলবেন না।

আরও পড়ুন

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button