আর মাত্র ১০ বছর, পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর দুর্যোগের প্রহর গুনছে ‘জলবায়ু ঘড়ি’!

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে মানুষ প্রযুক্তি বিদ্যায় উন্নত হয়েছে ঠিকই কিন্তু প্রচুর পরিমাণে কলকারখানা, যানবাহন ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে বাতাসে ক্রমাগত দূষণের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। যার ফলে বাতাসে বৃদ্ধি পাচ্ছে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ। একইসাথে এসি, ফ্রিজ ইত্যাদি ব্যবহারে বাড়ছে CFC ।

ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। আর এই উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবী জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে ‌‌ । তবে দূষণের মাত্রা না কমাতে পারলে পৃথিবী দ্রুত এগিয়ে যাবে ধ্বংসের পথে। এই দূষণ নিয়ন্ত্রণে একাধিক বৈঠক হলেও তার ফলাফল সেই শূণ্যতেই দাড়িয়ে। এমতাবস্থায় পৃথিবী ধ্বংসের বার্তা বহন করছে জলবায়ু ঘড়ি।

আবিষ্কার হয়েছে জলবায়ু ঘড়ি: দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করতে বানান হয়েছে জলবায়ু ঘড়ি। যা দেখলে সহজেই বোঝা যাবে কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে দূষণের মাত্রা। আইপিসিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে , যাবতীয় তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বানান হয়েছে এই জলবায়ু ঘড়ি। যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে UNESCO -এর পৃষ্ঠপোষকতায় চালিত হওয়া আন্তর্জাতিক সংস্থা “গ্লোবাল কার্বন প্রোজেক্ট” ।

এই ঘড়ির মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, প্রাক-শিল্পযুগের থেকে আগামী কত বছর, কত মাস, কত দিন, কত ঘন্টা, কত মিনিট এবং কত সেকেন্ড পর বৃদ্ধি পাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা।আগামী ১০ বছর পরেই কি ধ্বংস পৃথিবী?আইপিসিসি তাদের বিভিন্ন রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করে এবং বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি নিয়ন্ত্রণে না রাখা যায় তাহলে আর মাত্র ৬০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ধ্বংসের দিকে চালিত হবে।

নতুন নির্মিত এই জলবায়ু ঘড়ি থেকে দেখা যাচ্ছে , পৃথিবী ধ্বংস হতে তথা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যেতে সময় লাগবে ১০ বছর ৫ মাস‌। অর্থাৎ ২০৩২ সালের মার্চ মাস বলা যেতে পারে ‌ ।জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অরুণ চট্টোপাধ্যায় এই ঘড়ি প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এই জলবায়ু ঘড়ির উদ্দেশ্য কেবলমাত্র পৃথিবী ধ্বংসের দিন দেখান নয় বা শুধু বিপদবার্তা বহন করা নয়।

বরং এই বিপদ এড়াতে করণীয় বিষয়গুলির জন্য আমাদের হাতে কত সময় আছে তা জানানই এর কাজ। এই সম্পর্কে রাষ্ট্রপ্রধানকে অবহিত করা এবং হুঁশিয়ার করা ছি ঘড়ির প্রধান উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button