সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হলো এই রাজ্যে! কি কারন এই লকডাউনের জেনে নিন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-গোটা দেশজুড়ে যখন লকডাউন জারি করা হয়েছিল তখন কিন্তু বাতাস অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছিল। মানুষ প্রাণভরে শুদ্ধ বাতাস গ্রহণ করতে পারছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথেই গাড়ি-ঘোড়া যানবাহন এবং কলকারখানা পুনরায় চালু হয়েছে ।যার ফলে আকাশ ঢেকেছে আবার বিষাক্ত গ্যাসে ।

কলকারখানা গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড কার্বন মনোক্সাইড নাইট্রাস অক্সাইড প্রতিনিয়ত একাধিক সমস্যা সৃষ্টি করেছে ।এবং এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে দিল্লি। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ক্রমাগত বাড়তে থাকা দূষণের প্রভাবে দিল্লিতে আগামী 15 দিনের জন্য সম্পূর্ণ রকম ভাবে লকডাউন জারি করা হলো ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি দিল্লির যা আয়তন রয়েছে তাতে শুধু সেখানে লকডাউন করলে তার প্রভাব যথেষ্ট কম অনুভূত হতে চলেছে। যদি কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এর পক্ষ থেকে জাতীয় রাজধানী ক্ষেত্র এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়, তাহলে অনেকটা উপকার হবে দিল্লির মানুষের জন্য।

হলফনামায় দিল্লি সরকার লিখেছে, “স্থানীয় স্তরে দূষণের মাত্রা কমানোর জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন এর মত কড়া পদক্ষেপ দিল্লি গ্রহণ করতে চলেছে। তবে এই পদক্ষেপ তখনই সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য হবে যখন সমগ্র রাজধানী ক্ষেত্র এবং তার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে ঠিক একই পদক্ষেপ গৃহীত হবে । ইতিমধ্যে সমস্ত স্কুল গুলিকে আগামী সাত দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। আপাতত ভার্চুয়াল এসে ক্লাস করানোর কথা জানানো হয়েছে ।

অপরদিকে সরকারি কর্মচারীদের কে বাড়িতে বসে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রতিবছর দিওয়ালিতে অসংখ্য বাজি পড়ানোর জন্য এবং ফসলের গোড়া পোড়ানোর জন্য দিল্লির আকাশ ঢেকে যায় ধোয়াতে যার ফলে সমস্যা হয় বেশ কিছু জায়গাতে ।তাই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে দিল্লি প্রশাসন।আগামী 15 ই নভেম্বর থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে 7 দিনের জন্য। তবে যে সমস্ত নির্মাণ কাজ গুলি প্রচুর পরিমাণে ধুলো ছড়ায় বাতাসে তাদেরকে 14 দিন কাজকর্ম সম্পূর্ণ রকম হবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button