দারুন গতিতে মোটরবাইক চালিয়ে কেরামতি দেখাচ্ছে 8 বছরের বালক! নেট দুনিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :-বর্তমান যুগে একটা বাইক থাকার বা বাইক কেনার ইচ্ছে প্রকাশ করে থাকে প্রত্যেকে ।যেকোনো কাজের জন্য অফিস কিংবা বাজারের জন্য অত্যন্ত জরুরী এই বাইক। কিন্তু যে হারে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে বাইকের দাম তাতে রীতিমতো এই ইচ্ছে থেকে দূরে থাকছে সাধারণ মানুষেরা। তার পাশাপাশি পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম তার চিন্তাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে ।

তবে সম্প্রতি আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে এমন একটা বাচ্চা ছেলের কথা বলতে চলেছি যার বয়স খুব জোর ছয় বছর ।কিন্তু সে এতটাই দক্ষতার সাথে বাইক কারসাজি দেখিয়েছে যেটা দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গেছে গোটা নেট দুনিয়া ।আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা বাইক নিয়ে কারসাজি দেখায়। এগুলিকে বাইক স্টান্ট বলা হয় ।

যদিও এক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে প্রবল পরিমাণে।বাইক কারসাজি সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলার সাথে সাথে বাড়ছে দূর্ঘটনা সংখ্যা। তবুও মানুষ কিন্তু এখান থেকে পিছিয়ে আসতে পারছেনা ।যশোরের সদর উপজেলা বারীনগর গ্রামের ছোট্ট সাজিম । তার বাইকের কারসাজি দেখে রীতিমত অবাক হয়ে গেছেন এলাকাবাসী। ছোট্ট শিশুর সেই বাইক চালানোর ভিডিও এখন রীতিমত ভাইরাল।

সাজিমের বাবা বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত বাইক মাস্টার অর্থাৎ তিনি বহু দিন ধরে বাইক স্টান্ট করে আসছেন ।তার কাছ থেকে অর্থাৎ বাবার কাছ থেকে এই মাত্র দু বছর বয়সে বাইক চালানো শিখে ছিল সাজিম । ডিসকভার পালসার এর মতন গাড়ি গু-লি-কে অনায়াসে হ্যান্ডেল করতে পারে মাত্র ছয় বছরের এই খুদে বাচ্চাটি। তবে তার বাবা কখনোই তাকে বড় রাস্তায় গাড়ি চালাতে দেন না ।

এমনকি সবসময় তাকে বাইক নিয়ে একা ছেড়ে দেন না ।কারণ তিনি বলেছেন যে এই সমস্ত কাজে প্রচন্ড পরিমানে ঝুঁকি থাকে।সাজিমের মায়ের মতে , আগে ছেলেকে বাইক চালাতে দেখলে ভয় লাগতো কিন্তু এখন আর ভয় লাগে না। আপাতত ছোট্ট সাজিমের স্বপ্ন বড় হয়ে পাইলট হবে। তার বাবা-মা চায় সে এমন কিছু করুক, যাতে বাংলাদেশের প্রত্যেক মানুষ তাকে চিনতে পারে।

তবে আপাতত তার পড়াশোনা করার বয়স এই সমস্ত কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে ।আবার অনেকেই কিন্তু তার এই অতিরিক্ত প্রতিভাকে জিইয়ে রাখার উপদেশ দিয়েছেন কমেন্টসের মাধ্যমে ।আপাতত এই ছোট্ট ছেলেটি বাংলাদেশের বাজারে লিটিল বাইক মাস্টার নামে পরিচিতি পেয়েছে

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button